ঢাকা: মাজার ভাঙা, সেখানে থাকা মানুষদের ওপর হামলা করা ও তাদের সম্পদ নষ্ট করা,এসব করার অধিকার জামাতকে কে দিয়েছে? হামলা, মব, হত্যা জামাত শিবিরের প্রতিদিনের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সরকার নীরব!

কখনোই তাদের দেখবেন না মাদ্রাসায় ধর্ষণের ঘটনাগুলো নিয়ে কথা বলতে,মাদ্রাসার সামনে গিয়ে চিল্লাইতে।

জামাত ক্ষমতার লোভে পরলে কি না করতে পারে? আবার পূর্ণ সমর্থন না পেয়ে দেশের হিন্দুদের বিরোধিতাও করে।

শামিরপুরে হজরত শাহ আলী (র.) মাজারে হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে জামায়াত ইসলামীর তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এই তিনজনকে হামলায় সরাসরি অংশ নিতে দেখা গেছে এবং মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে ওসি জানান, তারা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী বলে জানতে পেরেছেন।

প্রসঙ্গত, শনিবার সন্ধ্যায় মাজারের ভক্ত ও নিয়মিত দর্শনার্থী রেসমি বেগম ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত জামায়াত ইসলামীর ১০০-১৫০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—মো. আলী আকবর (৪৮), মো. বাপ্পা (৩৫), মো. বাবু (৪৫), মো. কাউসার (২৬), আজম (৪০), শেখ মো. রাসেল (৩৮), কাজী জহির (৫২), মো. মিজান (৩৮) এবং কাজী পনির (৫০)। তারা সবাই শাহ আলী থানা এলাকার বাসিন্দা।

গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে রাসেল ও আজম এজাহারভুক্ত এবং আরমান দেওয়ান অজ্ঞাত আসামি।

এজাহারে বাদী জানান, তিনি শাহ আলীর মাজারে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে আসা-যাওয়া করেন। গত ১৪ মে দিবাগত রাতে মাজার জিয়ারত ও মানতের সময় আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে মাজারে ঢুকে জিয়ারতকারী ও মানতকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে।

হামলাকারীরা মাজারের ভক্তদের গুরুতর জখম করে এবং মাজারের গাছের লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলে ও মোমবাতির প্লেট ভাঙচুর করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

বাদী জানান, তিনি হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে তারা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্লীলতাহানী ঘটায়। এক আসামি লাঠি দিয়ে তার মাথায় গুরুতর আঘাত করে।

হামলাকারীরা মাজারের জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকার মতো চুরি করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *