ঢাকা: হামে শিশুর মৃত্যু ৫০০ র কাছে চলে গিয়েছে। হতে পারে সংখ্যাটা আরো বেশি। এই পরিস্থিতির কারণে কেবল জঙ্গী ইউনূস নয়, তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গোরাও সমানে দায়ী।

ইউনূস ও তাঁর বান্ধবী তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের অদক্ষতায় টিকার অভাবে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুতে ফাঁসির দাবি উঠেছে।

প্রতিদিন ১০/১২ জন শিশু মারা যাচ্ছে। হামে এরকমভাবে মৃত্যু কোনোদিন শুনেছেন? এখন শুনতে হচ্ছে। আরো অনেক কিছু শোনা যাবে।

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ইপিআইয়ের আওতায় শিশুর ৯ মাস বয়সে এমএমআর-এর প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৫ম সেক্টর প্রোগ্রাম থেকে বের হয়ে আসার প্ল্যান করে অন্তর্বর্তী সরকার। সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ থাকায় ইপিআইয়ের টিকা কেনা হয়নি।

ফলে ২০২৫ সালে দেশে ইপিআইয়ের টিকা সংকট দেখা দেয়। এবং সাম্প্রতিক সময়ে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিরোধী দলের নেতারা এই মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে।

আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে চলমান হামের টিকাদান কর্মসূচি বাতিলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তকে ‘ফৌজদারি অবহেলা’ উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।

এবং একইসঙ্গে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও সাবেক সব উপদেষ্টাসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে রবিবার (১৭ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম এই রিট আবেদন দায়ের করেছেন।

উক্ত রিটে তদন্ত কমিটি গঠন ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সমস্ত সদস্যের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে গত ৬ এপ্রিল এই একই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।

নোটিশে পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছিল। অন্যথায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *