কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার মতো ব্যক্তিদের পাগলের চিকিৎসা করলেও কোনো কাজ হবে না। কারণ এরা আসলে পাগল না। জাতে মাতাল তালে ঠিক।
এই জামাতি নামক অপধার্থের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু এক বক্তব্যে বলেছিলেন “মুক্তিযুদ্ধ কোনো ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য হয়নি।”
কথা কি তিনি মিথ্যা বলেছেন? কিন্তু রাজাকার, পাকিস্তানপন্থী জামাতের গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধকে বিকৃত করার পাঁয়তারা শেষ করেনি।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমির হামজা মন্ত্রীকে বলেছিলেন তিনি নাকি আপাদমস্তক ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা করা হয়।
রবিবার (১৭ মে) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার বিজ্ঞপ্তির এই নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী ও সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়।
ওইদিনই আদালত আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
‘আজ রবিবার আদালতে আমির হামজার ফের হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদালতে আসেননি। এ জন্যই তাকে গ্রেফতার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।’
