চট্টগ্রাম: ⁨⁨হাম কি নিজে নিজে ফিরে এসেছে? বিলুপ্ত একটি রোগ জোর করে টেনে এনেছে জঙ্গী ইউনূস আর তাঁর সঙ্গীরা।

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মারা যাচ্ছে, আর প্রাগৈতিহাসিক যুগের লিল্লাখোর মোল্লাপার্টি বলছে “সব টিকা বিক্রির ধান্ধা।” নতুন কিছু না। এরা আগেও এই খেলা খেলেছে।

এখন অবধি মৃত্যু ৫০০র কাছাকাছি চলে গিয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালি থানাধীন জামাল খান এলাকায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে হামে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের বিচার দাবিতে ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রতীকী লাশ বিছিয়ে আয়োজন করা হয় এই কর্মসূচি। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা শিশুদের জন্য রাষ্ট্রীয় দায় নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি জানান।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যুব সংগঠক উম্মে কাওসার এপি, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইশতিয়াক মোহাম্মদ সাকিব, সদ্য কারামুক্ত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাজুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগ নেতা আলাউদ্দিন শিবলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, হাম ও হামের উপসর্গে এত শিশুর মৃত্যু দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।

সরকারি হিসাবেই প্রতিদিন গড়ে ছয়জন শিশু মৃত্যুবরণ করছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে দৈনিক ১০ জনে পৌঁছেছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।

ইউনূস তো আছেই বদের হাড্ডি, নাটের গুরু এছাড়াও কাঠমোল্লারা টিকা বিরোধী প্রচার চালিয়ে বিভ্রান্ত করেছে মানুষকে। এর আগেও করোনারি সময়েও এই মোল্লারা এই কাণ্ড করেছে।

এক মোল্লা নাকি স্বপ্নে দেখেছিলেন করোনা ভাইরাস ইসলাম গ্রহণ করেছে, অন্যজন দাবি করেছেন ভাইরাসকে মসজিদে নামাজ পড়তে দেখা গেছে, অতএব মুসলিমদের ভয় নেই। এই প্রচারণার ফলে কতজন টিকা নেয়নি, কতজন মারা গেছে, সেই হিসাব কেউ রাখেনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *