ঢাকা: মবের জনক ডেভিল ইউনূসের জন্য আজ শিশুগুলোকে হারিয়ে ফেলছেন মা বাবারা। জঙ্গী ইউনূসের কিছুই আসে যায় না।
ইউনিসেফ ৫ বার চিঠি দিয়ে সতর্ক করার পরও ফ্যাসিস্ট ইউনুস এবং তার কিচেন ক্যাবিনেট কর্ণপাত করেনি। যার ফল আজ দেশের অসংখ্য পরিবারকে বহন করতে হচ্ছে।
সরকারি হিসেবেই পাঁচ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, আর বেসরকারি হিসেবে সেই সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এককথায় এটাকে শুধু মৃত্যু বললে ভুল হবে, এটা ছিল চরম অবহেলা আর ব্যর্থতার ফল। শুধু ব্যর্থতা না, দেশদ্রোহীরা ক্ষমতায় বসলে কী হয় তার দৃষ্টান্ত আজ বাংলাদেশ।
সময়মতো ব্যবস্থা নিলে এত শিশুকে প্রাণ হারাতে হতো না। আরও ভয়াবহ বিষয় হলো, যারা বেঁচে আছে তাদের অনেকেই আজীবন বিকলাঙ্গতা ও জটিলতার ঝুঁকিতে রয়েছে।
কিন্তু দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এমনকি ভুক্তভোগীরা মামলা করতে গেলেও সেই মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠছে।
তাতে করে অনেকের কাছেই মনে হচ্ছে বর্তমান সরকারও আগের সরকারের ধারাবাহিকতার বাইরে নয়। একই কায়দায় চলেছে সরকার।
অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকা সংকটের বিষয়ে সতর্ক করতে পাঁচ থেকে ছয়টি চিঠি দিয়েছিল, এটাও কি এখন অস্বীকার করবেন ঐ জঙ্গী? চিঠির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।
এর আগেই জানা গিয়েছে ইউনিসেফ সতর্ক করেছিলো ইউনূসকে। তবে এতগুলো যে চিঠি দিয়েছিলো তা জানা যায়নি।
বুধবার এক ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এই কথা বলেন।
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, কোনো মহামারি রাতারাতি ঘটে না। কিছু বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ রকম পরিস্থিতি দেখা দেয়। বিশেষ করে, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে।
এক প্রশ্নের জবাবে রানা বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্বের কারণ ছিল উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার বিষয়ে (অন্তর্বর্তী সরকারের) মন্ত্রিসভার একটি সিদ্ধান্ত।’
তিনি জানান, গত বছর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
‘আমার মনে হয় না এ ধরনের সিদ্ধান্ত এর আগে কখনো নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়টি আপনারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যাচাই করে নিতে পারেন’, যোগ করেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক সায়েদুর রহমানের দাবি, ইউনিসেফ হামের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে তৎকালীন সরকারকে সতর্ক করেনি।
ইউনিসেফ প্রতিনিধি রানা বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমার হাতের কাছে একেবারে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ নেই। তবে তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হবে। আমি এটুকু জানি যে, আমরা ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ-ছয়টি চিঠি পাঠিয়েছি, যার মধ্যে শেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঠিক আগে পৌঁছেছিল। আমরা আশা করেছিলাম যে, যিনি নতুন করে এই দায়িত্ব পাবেন তার ডেস্কে চিঠিটি থাকবে।’
আরও বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসার জন্য বারবার চাপ দিয়েছি। একইসঙ্গে আমি বলতে পারি, আমি অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা এবং কর্মীদের সঙ্গে অন্তত ১০ বার বসেছি। আমি এবং আমার কর্মীরা বলেছি, আমরা চিন্তিত। আমার মুখ দেখে বুঝুন, আমি চিন্তিত যে, আপনারা টিকার সংকটে পড়তে যাচ্ছেন।’
‘এটা স্পষ্ট ছিল যে দেশে টিকা আনতে না পারলে সমস্যা তৈরি হবে,’ বলেন রানা।
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালেই টিকার সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছিলাম। পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আমরা আগেভাগেই সতর্ক করছিলাম এবং ক্রমাগত মনে করিয়ে দিচ্ছিলাম যে তারা সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে’।
