ঢাকা: মাদ্রাসা কি শিশুদের নিরাপদ আশ্রয়? নাকি ধর্ষণ আর খুনের আখড়া?
আসলেই তাই! কোনো অভিভাবক যদি নূন্যতম সতর্কতা ও জ্ঞান রাখে তাহলে তাঁদের সন্তানদের ঐ ধর্মীয় স্থানে ধর্ম শিখতে পাঠাবেন না। লেবাসধারীরা জীবন কেড়ে নিচ্ছে শিশুদের।
রামিশার হত্যার বিচার চাইতে না চাইতেই রামপুরার একটি মাদরাসায় ১০ বছরের শিশু আব্দুল্লাহর মৃত্যুর খবর!আর কত নিষ্পাপ শিশু প্রাণ হারালে এই জাতির ঘুম ভাঙবে?
আর কত মায়ের বুক খালি হলে বিবেক জাগবে? এই দেশে শিশুরা কি শুধু লাশ হওয়ার জন্যই জন্ম নিচ্ছে?
কোথাও ধর্ষণ,কোথাও হত্যা,কোথাও রহস্যজনক মৃত্যু।
তসলিমা নাসরিন বারবার সতর্ক করছেন এইসব ঘটনার পর যে মাদ্রাসা বন্ধ করা হোক। মাদ্রাসা খোলা থাকলে এইসব অপকর্ম, খুন হতেই থাকবে।
রাজধানীর রামপুরায় ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মূল আসামি মো. শিহাব হোসেনকে (১৯) গ্রেফতার করেছে রামপুরা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার তো হয়ই, গ্রেপ্তার আর কী বড় বিষয়? কিন্তু গ্রেপ্তার করে তারপর? তারপর ছুটি! কয়দিন জেলের হাওয়া খেয়ে আসে। তারপর আবার লেগে যায় নিজের কাজ করতে।
বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাতে পাবনা জেলার বেড়া থানা এলাকা থেকে শিহাবকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকস্থ আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার ভেতরে শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
খবর পেয়ে রামপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় মৃতের শরীরে অস্বাভাবিক যৌনাচারের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায়। অর্থাৎ তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
অনুসন্ধান করে জানা যায়, ওই মাদ্রাসার ছাত্র শিহাব হোসেন নানান সময়ে সুযোগ বুঝে বুঝে আব্দুল্লাহসহ আরও ৪ জন ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক ও অস্বাভাবিক যৌনাচারে লিপ্ত হয়েছিল। সরল বাংলায় ধর্ষণ করেছে।
ঘটনায় নিহত আব্দুল্লার মা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় একটি মামলা করেন।
মামলাটি তদন্তকালে রামপুরা থানার একটি টিম গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে ঘটনায় জড়িত শিহাব হোসেনকে গ্রেফতার করেছে।
