ঢাকা: বাংলাদেশে অধিকাংশ ধর্ষণের মামলায় কোনো শাস্তি হয় না।‌ এত প্রতিবাদ, মশাল মিছিল- কিচ্ছু লাভ নেই। সরকার আর আইন চোখ থাকিতে অন্ধ।

এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় জটিলতা আরো বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা ৷

ধর্ষণের শাস্তির দাবিতে ঢাকার রাস্তায় মাঝেমাঝেই প্রতিবাদ কর্মসূচি দেখা যায়। লাভ কী হয়? ধর্ষক ধর্ষকের জায়গাতেই থাকে।

বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনার অনুপাতে মামলার সংখ্যা কম৷ চাপে পড়ে অনেক ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করেন না। এরকম বহু ঘটনা আছে।

তাছাড়া শাস্তির হার কম দেখে কেউ কেউ বলেন অধিকাংশ ধর্ষণ মামলাই নাকি মিথ্যা৷ কিন্তু তারা ঠিক বলছেন না৷ আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হলে ধর্ষণের ঘটনা মিথ্যা হয়ে যায় না৷

মামলা দায়ের থেকে শুরু করে মামলার তদন্তসহ নানা কারণে আসামিরা বেনিফিট অব ডাউটের সুযোগে ছাড়া পেয়ে যান৷

উপর মহলে হাত থাকে, ব্যস! ছাড়া পেয়ে যায়।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ে দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে বলে সান্ত্বনা দিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই আশ্বাস দেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন রেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায়িত্বে আসার পর এ পর্যন্ত যতগুলো এই জাতীয় হেনিয়াস ক্রাইম (গুরুতর অপরাধ) হয়েছে, আপনারা কি কেউ একটা ক্রাইমের ক্ষেত্রেও বলতে পারবেন যে, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেনি এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে তারা অ্যারেস্ট করতে পারেনি? একটাও নেই।’

‘আমার কাছে সবগুলোর তালিকা আছে। যদি তার ব্যত্যয় কিছু হয়ে থাকে, আপনারা প্রশ্ন তুলতে পারবেন।’ উল্লেখ করেন তিনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *