ঢাকা: রামিসা, শিশুটির বয়স ৮। ধর্ষণ করার পর অজ্ঞান হয়ে গেলে হত্যা করা হয়। যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়।

দেহ থেকে হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়। মাথা নাই। দেহ পড়ে আছে এক রুমে। মাথা বালতিতে। আহারে! দেশটার অবস্থা! এইসব ঘটনা লিখতেও হাত কেঁপে উঠছে।

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য আগামি ১ জুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।

তদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্টে শিশুটির ওপর চালানো পৈশাচিক বর্বরতা, নির্যাতনের ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে।

ফরেনসিক প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, হত্যার আগে শিশু রামিসাকে জোর করে ধর্ষণ করা হয়েছিল। এরপর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দেহ থেকে মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে দেহ ছিন্নভিন্ন করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *