ঢাকা: ঠাকুর ঘরে কে, আমি কলা খাইনা। এখন সব অপদেষ্টা শকুনগুলো ধোয়া তুলসী পাতা বনেছে। সবাই এমন ভাব দেখাচ্ছে তারা জীবনে কোনোদিন একটা আঙুলের টোকা পর্যন্ত দেয়নি কাউকে। আর এতবড় ডিপস্টেটের দালাল, আর দেশ ধ্বংস করা তো অনেক দূরের কথা।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো “কিচেন ক্যাবিনেট” সত্য। মেটিকুলাস ডিজাইনার বিশ্ব বাটপার ইউনুস নিজেই বারবার বলেছে যে এই সমন্বয়কদের প্রাধান্য দিয়ে সব সংস্কার করা হচ্ছে। তাহলে এরা তো সবার আগে জড়িত।

সাবেক অপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেছেন তিনি কিচেন ক্যাবিনেটের মধ্যে ছিলেন না।

হায় আল্লাহ খালেক অপদেষ্টা আসিফ স্যারও বলেছেন তিনি নাকি কিছুই জানেন না!!

এখন টোকাই আসিফও বলছে সেও নাকি কিচেন ক্যাবিনেটের মধ্যে ছিলোনা।
একটা বিষয় পরিষ্কার যে কিচেন ক্যাবিনেট আসলেই ছিলো।

এখন প্রশ্ন হলো সেই ক্যাবিনেটের বাকী সদস্য কারা ছিলো?

শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে মাইরের ভয়ে সবাই নোবেল লরিয়েটকে দোষারোপ করে নিজেরা সাইডে চলে যাবে।

আসিফ মাহমুদ, এ তো মারাত্মক চতুর ব্যক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করার বিষয়টি নাকি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অবগত ছিল না বলে দাবি করেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের তিন দিন আগে চুক্তিটি করা হয়েছে।

অনেকে বলেন, সব পার্টিকে জানানো হয়েছে। আমি আমার আহ্বায়কের সঙ্গে কথা বলেছি, সবার সঙ্গে কথা বলেছি, এই চুক্তির আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির কনসার্ন নেয়নি।’

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আসিফ মাহমুদ।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা (বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী) বিএনপির হয়ে কাজ করেছেন বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘এই চুক্তির জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সরকার এক মাসের মধ্যেই চুক্তিটি করল। আরো কিন্তু দুই মাস সময় ছিল। অনেক সময় আমরা শুনি, তিনি তো বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা করে অন্তর্বর্তী সরকারে কাজ করেছেন। তিনি বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা করে এই চুক্তির দায়টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দেওয়ার জন্য নির্বাচনের তিন দিন আগে তড়িঘড়ি করে চুক্তিটা করলেন কি না—এই প্রশ্নটা জনমনে আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বিএনপি করেছে বলে দাবি করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই চুক্তিটা বিএনপিই করেছে। নির্বাচনের তিন দিন আগে বিএনপি তাদেরই বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিয়ে এটা অন্তর্বর্তী সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। আর তারা এখন বলছে, এই চুক্তি নিয়ে এখন কিছু করার নেই, এটি আগের সরকার করেছে।’

সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টারা কিচেন ক্যাবিনেট নিয়ে কথা বলেছেন। আসিফ মাহমুদ এই ক্যাবিনেটে ছিলেন কি না—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আমিও বলেছি, কিচেন ক্যাবিনেট ছিল। তবে আমি এই ক্যাবিনেটের সদস্য ছিলাম না।’

তাহলে কে বা কারা ছিলো বাবা? সরকার কে চালিয়েছে? দেশের সম্পদ কে লুটপাট করেছে? এগুলো সব তথ্য বের করার দায়িত্ব বিএনপি সরকারের।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *