ঢাকা: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শেখ হাসিনা দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবার শুভেচ্ছা জানালো ছাত্রলীগ।
ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত শিক্ষা নিয়ে সমাগত পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশবাসীসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানায়।
ছাত্রলীগ বলে, “পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের শেখায় আত্মত্যাগের মহিমা, মানবিক দায়িত্ববোধ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনন্য শিক্ষা। এই ঈদ কেবল উৎসবের নয়, এটি আত্মসংযম, সহমর্মিতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার এক মহিমান্বিত আহ্বান”।
তবে বর্তমান বাংলাদেশে কঠিন পরিস্থিতি চলমান। এ নিয়েও কথা বলে ছাত্রলীগ।
জিনিসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সাম্প্রদায়িক হিংসা, দাঙ্গা বিষয়গুলো গভীর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে।

ছাত্রলীগ বলে, “বর্তমান বাংলাদেশ কঠিন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে।
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, কৃষক-শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের দুর্বিষহ জীবনযাপন, শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা, সাম্প্রদায়িক উসকানি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি জনমনে গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।
যে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও মানবিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছিল, আজ সেই বাংলাদেশকে পরিকল্পিত ভাবে বিভাজন, ভয় ও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়ার ঘৃণ্য চেষ্টা করা হচ্ছে”,।
আরো বলা হয়, “এই বাস্তবতায় ঈদুল আযহার শিক্ষা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিশ্বাস করে ত্যাগ, সহনশীলতা ও মানবিক সংহতির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতিকে সকল বিভেদ, হিংসা ও প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দ কেবল ব্যক্তিগত পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে অসহায়, দরিদ্র, ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলার মানুষ সকল অন্ধকার, সংকট, অন্যায় ও অপশক্তিকে পরাজিত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পুনর্গঠনে আবারও ঐক্যবদ্ধ হবে।
পবিত্র ঈদুল আযহা সকলের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, কল্যাণ ও মানবিক সৌহার্দ্যের বার্তা”।
শেষে জয় বাংলা দিয়ে শুভেচ্ছা বার্তাটি শেষ করা হয়।
