ঢাকা: ভারত ভালো না, ভারতের হিন্দুরা ভালো না। অথচ সেই ভারতে গিয়েই বাংলাদেশিরা ঘাঁটি গাড়ে, চিকিৎসা নেয়।

তবে এবার ফের পড়িমড়ি করে পালাচ্ছে দেশে। কারণ বিজেপি সরকার। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলকে বিপুলভাবে ধরাশায়ী করে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। এবং তারপরেই সাপের গর্তে যেন কার্বলিক অ্যাসিড পড়েছে।

যারা বিনা কাগজপত্রে, চোরাই পথে অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে দিনের পর দিন মমতা সরকারের সুবিধা নিয়েছে, থেকেছে, তারা পালিয়ে আসছে। ১৪/১৫ বছর ধরে তারা ভারতে আছে।

তাদের কোনো ঠাঁই হবে না এখন আর। তাই দেখা যাচ্ছে সীমান্তে টালি টোপলা নিয়ে ভিড়।

বাংলাদেশিরা কী জামাই? ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চরম হুঁশিয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।

অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে থ্রি-ডি অ্যাকশন। ভয়ে বাংলাদেশে ফেরার হিড়িক পড়েছে। স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে ভিড়।

ডিটেক্ট ডিলিটের পর এবার ডিপোর্ট করছে তাদের সরকার। জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার। এরপর তড়িঘড়ি বাংলাদেশে পার হচ্ছে অবৈধরা।

পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের দিন শেষ। বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই জালে পড়ে একের পর এক বাংলাদেশি। মালদা, মুর্শিদাবাদ-সহ জেলায় জেলায় পাকড়াও হচ্ছে।

তৃণমূল জমানায় ইচ্ছামতো সীমান্তপার হয়ে গিয়েছিলো।

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সীমান্ত পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

গুজরাট সফরে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আগে যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ভারতে ঢুকত, এখন পরিস্থিতি উল্টো হয়েছে’।

‘বর্তমানে প্রতিদিন পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার মানুষ ফিরে যেতে শুরু করেছেন’।

অমিত শাহ বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশ রোখার ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়েছে’।

শাহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘দেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা যদি স্বেচ্ছায় ফিরে যান, তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না’।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *