ঢাকা: জঙ্গী ইউনূস ও তার মব বাহিনী বাংলাদেশকে জ্বালিয়ে খেয়েছে এবং যতটুকু সম্ভব নিজেদের পকেট মোটা করেছে।
মব মাস্টার ইউনূস এখন পালিয়েছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার খবর শুনতেই পালিয়ে গেছেন তল্পিতল্পা নিয়ে।
এখন সকল উপদেষ্টারা বলছে ধীরূ ধীরে, কিচেন ক্যাবিনেট ছিলো, কিন্তু আমরা তার মধ্যে ছিলাম না। বাব্বাহ! কী যুক্তি আগেভাগে!
“ঠাকুর ঘরে” কে রে আমরা কলা খাই নাই!
* মার্কিন চুক্তি? ওরা জানে না। চিকেন কেবিনেট না..না..কিচেন কেবিনেট আমরা এসব জানিনা…? জানতে তো হবেই, কারণ জনগণ জেনেছে।
* সাদা পাথর খেকো, পরিবেশ ধ্বংসকারী, সেন্ট মার্টিন ইজারা দাতা, সৈয়দ বংশের “সৈয়দা রেজওয়ানা” ? তাঁদের বিচার হবেনা?
আরেক বদ রিয়াজ “টাউট” সংবিধান ধ্বংসের অপচেষ্টাকারী পাকি বীজ দেশ ধ্বংসকারী।
কি নির্লজ্জ “শিক্ষক সমাজ” ছাত্র সমাজ ধ্বংসকারী আসিফ নজরুল গং। এখন ওরা সাধু সেজেছে।
দেশের দায়িত্ব নেওয়া সেনাবাহিনীর সেনা প্রধান এখন তিনিও চুপ।
অনেক হিসাব এখনো বাকি আছে। ৩২ ভাঙ্গার হিসাব —-পুলিশ হত্যার হিসাব, জঙ্গী তৎপরতায় মব এর হিসাব, এত মানুষ হত্যার হিসাব, হিন্দু হত্যা, বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়ে ছারখার করার হিসাব, দেশের সম্পদ ধ্বংসের হিসাব? কে দেবে?
এই সমস্ত হিসাব জনগণ চায়। সরকার চায় না, জনগণ চায়।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির দাবি করলেন, ইউনুসের আমলে বহু সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় প্রতি অঞ্চলে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে।
এতদিনে একটা সত্যি কথা বললেন ফখরুল সাহেব।
শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব আয়োজিত এক সভায় সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলছিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল। তখনই তাঁর কথায় উঠে আসে এই প্রসঙ্গ।
তিনি দাবি করেন, ইউনুসের আমলে সাংবাদিকদের সর্বতোভাবে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনা তো আছেই। পাশাপাশি বহু স্থানেই নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে সাংবাদিকদের।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাংবাদিকতা একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পেশা, এর চেয়ে সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশা আর আছে বলে আমার জানা নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রের সত্য তুলে ধরতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রতিনিয়ত কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সঠিক সাংবাদিকতা করতে গিয়ে বিগত সরকারের আমলে কমপক্ষে ৫০০ জন সাংবাদিক নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। দেশের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিনিয়ত নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন না।
উল্লেখযোগ্য যে, ইউনূসের আমলে, প্রায় ১৩ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন। প্রায় ১২০০ সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
এবং ১৬৮ জন পেশাদার সাংবাদিকের সরকারি পরিচিতি পত্র (অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড) বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় প্রেস ক্লাব-সহ নানা প্রেস ক্লাব থেকে ৭০০-র বেশি সাংবাদিকদের সদস্যপদ বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে।
