ঢাকা: ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। বাংলাদেশের মৌলবাদী, ধর্ষকদের অবস্থা হয়েছে তেমন।
এদিকে কপালে নামাজের দাগ। বোঝাই যায় ধর্ম করে। ধর্ম করে না আসলে, ধর্মান্ধ এরা। ধর্ষকদের আবার ধর্ম কিসের? কপাল ঠেকানোর দাগ নিয়ে এরা ধর্ষণ করে।
এদের তো ভাল হওয়ার কোনো কারণ নেই।
যেখানেই যায় সেখানেই ধর্ষণ করা শুরু করে দেয়। মারা যাবার পরেও এরা নারী সঙ্গের লোভে থাকে। ভাবা যায়? কোন লেভেলের জীব এরা?
এবারের ঘটনা যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যের নর্থ ওয়েস্ট অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষক, তিনি ছাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন।
ঐ শিক্ষক নামের কলঙ্কের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে দেশটির শিক্ষা খাতে মারাত্মক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
১৩ থেকে ১৬ বছর বয়সী মেয়েদের যৌন নিপীড়ন চালান তিনি। মোট ১৩ জন ছাত্রীকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এমন ঘটনা সামনে আসার পরেই শুধু ফৌজদারি তদন্ত নয়, বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা নীতিমালা ও নিয়োগ ব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগও শুরু হয়েছে।
বোল্টন ক্রাউন কোর্টে মামলার প্রাথমিক বিচারিক ধাপ শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আদালত এখন অভিযোগের সত্যতা নিরূপণের তুলনায় এই অপরাধের শাস্তি কিংবা সংশোধনমূলক ব্যবস্থা আরও পাকাপোক্ত করার ব্যাপারে মন দিচ্ছে।
চরিত্রহীন, লম্পট স্যালফোর্ডের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিক ও সাবেক সাপ্লাই শিক্ষক আবুস আলী রহমানের মামলার রায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এবং সে পর্যন্ত তিনি কারাগারে থাকবেন।
তবে আসামিপক্ষের আবেদনের পর আদালত এই আসামির একটি পূর্ণাঙ্গ মানসিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে তার মানসিক স্বাস্থ্য ও অপরাধমূলক আচরণের সম্ভাব্য সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হবে, যা চূড়ান্ত রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
