চট্টগ্রাম: নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল বড় হচ্ছে। দাবায়া রাখতে পারবা না- কথাটা এমনি এমনি তো নয়।
রাজাকারপুত্র হুম্মাম বড় বড় কথা বলেছিলো, আওয়ামী লীগকে মাঠে নামতে দেওয়া হবে না, রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না! এগুলো জোরজবরদস্তি তো কোনো গণতন্ত্রের কথা নয়।
রাজনীতি তো আদতেই কারো বাপের সম্পত্তি নয়।
বীর চট্টলার রাজপথ আজ আগুনঝরা উত্তর দিয়ে দিয়েছে। একটি কলেজ ইউনিটের আগুনমিছিলই প্রমাণ করেছে আদর্শকে নিষিদ্ধ করা যায় না, সংগঠনকে ভয় দেখিয়ে থামানো যায় না, ইতিহাসকে হুমকি দিয়ে মুছে ফেলা যায় না।
যারা ভাবছে হুঙ্কার দিলেই লাখো কর্মীর চেতনা নিভে যাবে, তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বোঝেনি।
চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
আজকের মিছিলের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্য ছিল জিইসি মোড়ে। মিছিল শেষ করে যখন বক্তব্য চলছিল, তখন চারপাশে পুলিশের গাড়ির সাইরেন বাজছিল।
অথচ বাস্তবে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে এক মুহূর্তের জন্যও কোনো ভয়, আতঙ্ক বা দ্বিধা দেখা যায়নি।
এটাই চট্টগ্রামের আসল চিত্র। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চট্টগ্রাম ধীরে ধীরে আবার নিজের শক্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে। ইতিহাস সাক্ষী, এই শহর বারবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথম সারিতেই দাঁড়িয়েছে।
বীর চট্টলা আবার জাগছে।
মিছিলের একাধিক ভিডিও সোমবার (১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
দেখা গেছে, নগরের নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের অপর পাশ থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জিইসি মোড়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনা আসবে’ সহ নানান স্লোগান দেন।
