পিরোজপুর: হিন্দু পোড়ানো, মন্দির পোড়ানো, মন্দিরে চুরি, আগুন – কে করছে? নরখাদক মুসলমানরা। এরা নিজেদের প্রমাণ আগেও দিয়েছে এখনো দিচ্ছে।

আর বাংলাদেশে কোনো হিন্দুর থাকার অধিকার নেই, সেই অধিকার কেড়ে নিয়েছে মুসলমানরা। যে কয়জন হিন্দু আছে হয়তো মরেও যাবে, আর বেঁচে থাকলেও এই দেশে নয়।

এবার পিরোজপুর জেলা সদরের গণপূর্ত অফিসের ঠিক বিপরীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শ্মশানে এবং শ্মশানের ভিতরে থাকা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেছে হিন্দু বিদ্বেষীরা।

বাঙালির হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে এভাবে যারা নস্যাৎ করতে চায় প্রকৃতপক্ষে তারা কোন ধর্মেরই বিশ্বাসী হতে পারেনা। তাহলে কি ধর্ম তাদের এই শিক্ষা দিচ্ছে? প্রশ্ন এরকম হাজারটা আসে।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী থেকে যে উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে এই নেক্কারজনক ঘটনা তারই ধারাবাহিকতার অংশ।

শেখ হাসিনার সময় কী হয়নি হিন্দু নির্যাতন? হয়েছে তবে সংখ্যায় কম।

পিরোজপুর পৌর শ্মশানের কালী মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর তো হয়েছেই, এবং মন্দিরের প্রণামি বাক্স এবং সৎকারের কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীও নিয়ে গেছে উগ্রবাদীরা।

রোববার রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন পিরোজপুর সদর থানার ওসি মোহম্মদ শরীফুল ইসলাম।

পৌর শ্মশান কমিটির সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কালী মন্দির সংলগ্ন শিবঠাকুরের মূর্তি ভাঙচুর করা অবস্থায় দেখতে পান।

ভাঙা প্রতিমার কিছু অংশ বাইরে এনে আগুনে পোড়ানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া শ্মশানের ফটক ভাঙা ছিল এবং সৎকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রীও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ওসি মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা ও মালামাল চুরির জন্য কেউ মন্দিরে প্রবেশ করেছিল। তবে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

অন্য কারণ কী থাকবে শরীফুল সাহেব? সেটা আপনিও খুব ভালোমতো জানেন! আর আসামিকে কোনোদিন ধরাও হবে না সেটাও জানেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *