ঢাকা: বাংলাদেশের পতাকা জড়িয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত বাংলাদেশের অহংকার, জননেতা তোফায়েল আহমেদ।
আজও মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল এক নাম। আজো তাঁর প্রতি শ্রদ্ধায় মানুষ অবনত।
যারা এদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যারা বাংলার মাটিতে রাজাকার রাজনীতির কালো অধ্যায় তৈরি করেছিল, তারা চাইলেও কি কখনও এমন সম্মান, এমন ভালোবাসা, এমন জনসমর্থন অর্জন করতে পারবে? কোনোদিন পাবে?
গলা কেটে সম্মান অর্জন করা যায় না।
তোফায়েল আহমেদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একজন সাহসী ধারক ও বাহক।
মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া যায় ত্যাগ, সংগ্রাম আর দেশপ্রেম দিয়ে, অপপ্রচার দিয়ে নয়।
শেষ বিদায়ে যারা বাধা দেয় তারা কি দেশপ্রেমিক ? কেন এত তড়িঘড়ি করে করা হলো? শহীদ মিনার বা ঢাকার অন্য জায়গায় কেনো উন্মুক্ত জানাজার সুযোগ দেওয়া হলো না?
একজন মৃত তোফায়েল আহমেদের প্রতি মানুষের ভালোবাসার শক্তির ভয়, নাকি লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতির ভয়? জনতার মহাসমুদ্র, অতল শ্রদ্ধা, জনস্রোতকে প্রশাসনিক বাধা দিয়ে আটকে কী প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে?
তারপরেও কি ঠেকানো গেছে?
বাংলার তোফায়েলের জানাজায় “জয়বাংলা” শ্লোগান দিয়ে গ্রেপ্তারের ঘটনায় কেনো আপনি বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ…? এটাই কি হবার ছিলো না এই দেশে?
এসবই তো হওয়ার কথা, প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে যারা ক্ষমতায় আছে তাদের কাছ থেকে সম্মান পাওয়াটাই বরং অসম্মানজক।
