ঢাকা: তেলের দাম বাড়ল, মানুষ মানিয়ে নিল। এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ল। পাইকারি, সঞ্চালন, খুচরা — তিন জায়গায় একসাথে।
মানুষ মানিয়ে নিতে পারবে কি?
যার মাসে ৫০০ টাকা বিল আসত, এখন আসবে আরো বেশি। যার ১০০০ টাকা আসত, হিসাব করুন কত আসতে পারে। মাস শেষে পকেট থেকে আরো কিছু টাকা বের হয়ে যাবে।
তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস — যেগুলো অত্যাবশ্যকীয়, সেগুলো একটার পর একটা বাড়ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আয় বাড়ছে না। এই চাপটা কে বহন করছে? যারা প্রতিদিন সকালে উঠে কাজে যায়, মাস শেষে হিসাব মেলাতে পারে না, তারাই বহন করছে।
জ্বালানি তেলের দাম নাটকের পর নাটক করে পর পর ২ বার বাড়ানো, গ্যাসের দাম প্রতি সিলিন্ডারে এক মাসে দুই লাফ দিয়ে একবারে ৫৮০ টাকা , এবার পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। নাটক করছে জনগণের সাথে সরকার।
পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, বিইআরসি, যাতে সাধারণ গ্রাহকের খরচ বাড়ছে ১৬.৭ শতাংশ।
বিইআরসির ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারিতে প্রতি ইউনিটে বর্তমান দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে গড় দাম ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে।
খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সঞ্চালন খরচ (গড়) ইউনিটপ্রতি ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৩৯ পয়সা করা হয়েছে।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। তখন পাইকারিতে ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।
বুধবার রাজধানীর রমনায় কমিশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, নতুন দাম জুন মাসের বিল থেকে কার্যকর হবে।
