ঢাকা: ডেঙ্গু, সন্ত্রাসী, মব, হত্যা, ধর্ষণ কোনোকিছুর কমতি দেখাতে পারবেন বাংলাদেশে? এই দেশে সব ভরপুর আছে! কিছু লাগলে অন্য দেশ ধারে নিতেও পারবে। মব জনক ইউনূস হলে সুদে দিয়ে দিতো।
যাই হোক, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা
বাড়াতে এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে আজ সকাল ১০ টায় সিভিল সার্জনের কার্যালয়, যশোর থেকে সচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়।
উক্ত র্যালিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাবৃন্দ, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
কোনো এলাকায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকা জরুরি ভিত্তিতে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নজরদারি কার্যক্রম জোরদারকরণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযানে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জমা পানি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তাকে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানান, আগামি দুই-তিন দিনের মধ্যে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম শুরু হবে।
আজ, শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি লেক সংলগ্ন রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তিন মাসের বিশেষ অভিযান উদ্বোধন ও জনসচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
মন্ত্রী এই বিষয়ে বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হবে এবং মোবাইল টিম বাসাবাড়ি পরিদর্শন করবে।
কোনো বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস বা অন্য স্থাপনায় জমা পানি বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হবে।
পরিদর্শন দলের সদস্যদের বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হলে আইন প্রয়োগ করা হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বৃহত্তর জনস্বার্থে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নিতে হবে।
