ঢাকা: ঈদের সময় বেশি টাকা কামানোর ধান্দা, গন্তব্যে তাড়াতাড়ি পৌঁছানো, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল এবং অনেক সময় লাইসেন্স ছাড়া চালক দিয়ে গাড়ি চালানো এইসব কারণে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। তবে সরকার প্রতিবারই বলে, এবার তেমন পরিবেশ নেই। কিন্তু দেখা যায়- কথা তো কথাতেই থাকে‌। সিস্টেমের কোনো পরিবর্তন নেই।

এছাড়াও মোটরসাইকেলের আধিক্য, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং মহাসড়কে এর ব্যবহার বৃদ্ধি, যানজট ও অব্যবস্থাপনা: দীর্ঘ যানজট এড়াতে বা সময় বাঁচাতে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে যাতায়াত দুর্ঘটনার আরো কারণ।

এবারের ঈদযাত্রায়, অর্থাৎ গত ২১ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত সারাদেশে ৩৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৪০২ জন এবং ১ হাজার ২৯৪ জন আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দুর্ঘটনার এই তথ্য উঠে এসেছে।

আজ, রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।

রেলপথ, নৌপথ, সড়ক পথ সব পথেই দুর্ঘটনা ঘটেছে মারাত্মকভাবে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, ঈদের সময়ে রেলপথে ৩১টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত, ৩০ জন আহত হয়েছেন।

নৌ-পথে ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন।

সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৪২টি দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত এবং ১৩৪০ জন আহত হয়েছেন।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, ২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯০ জন নিহত ও ১১৮২ জন আহত হয়েছিলেন।

এবার আরো বেড়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৩ দশমিক ৭ শতাংশ, আহত ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *