রাজশাহী: নিষিদ্ধ বইও তো পড়া যায়! তাই না? আমার জন্য যেটা নিষিদ্ধ, আপনার জন্য নয়। তাই নিষিদ্ধের সংজ্ঞা এক একজনের কাছে এক একরকম।
তবে যিনি জাতির পিতা তিনি তো নিষিদ্ধ হতে পারেন না। নাকি তিনিও নিষিদ্ধ হয়ে গেলেন জঙ্গী ইউনূসের আমলে যা হয়েছিলো!?
ছাত্রদল, বিএনপির এটা শেখা বাকি আছে। যদি রাজনীতি করতে চান তবে বঙ্গবন্ধুর বই পড়তে হবে হে ছাত্রদল। শেখ হাসিনার বই না পড়লেও চলবে।
তবে পড়া থাকলে রাজনৈতিক মোকাবিলা সহজ হবে। নিষিদ্ধ বলে কিছু নেই। জ্ঞান অর্জন করতে হলে পড়তে হবে।
শেখ মুজিব ও হাসিনার বই থাকায় বিশ্বসাহিত্যের গাড়ি যে আটক করা হলো, এটা কতটুকু উচিৎ হয়েছে? এতে করে সারাদেশে ওরা নিজেরাই নিন্দিত হবে।
রাজশাহীতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রকাশিত কিছু বই পাওয়া যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী লাইব্রেরির গাড়িটি আটক করে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে নিয়ে যান।
পরে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট বইগুলো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। কেন এমন ঘটনা ঘটলো?
এ বিষয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাজশাহী ইউনিটের ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম লিখিত অঙ্গীকারনামায় জানান, দিনের মধ্যেই বইগুলো লাইব্রেরি থেকে অপসারণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এসব বই পাঠকদের জন্য সরবরাহ করা হবে না।
মনে হচ্ছে এ যেন জঙ্গী বার্তা দেয়া আছে!
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিভিন্ন ধরনের বইয়ের পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় প্রকাশিত কিছু বই লাইব্রেরিতে রয়ে গিয়েছিল, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বইগুলো দ্রুত সরিয়ে ফেলা হবে এবং ভবিষ্যতে সেগুলো আর ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির কার্যক্রমে ব্যবহার করা হবে না।
