ঢাকা: বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখন মহামারির চেহারা নিয়েছে। প্রতিদিন শিশু মারা যাচ্ছে। মা বাবার আর্তনাদ শোনা যায়।
এই পরিস্থিতি কি আজ থেকে শুরু হয়েছে? কিন্তু বিএনপি সরকারের আজ অবধি একটা গম্ভীর কথা শুনেছেন? তারেক রহমান কোনো বার্তা দিয়েছেন? দেবেন না তো! ওরা সবাই ইউনূসকে বাঁচাতে ব্যস্ত।
শিশুদের এই মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতার পালাবদলের খেলায় নির্লিপ্ত, নির্দোষ।
৫ আগস্টের পর তো দেশ আর দেশ হয়ে নেই। চলছে ধ্বংসযজ্ঞ।
বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা, সমর্থন আর সামরিক বাহিনীর একাংশের যোগসাজশে দেশব্যাপী নাশকতা করে বৈধ সরকারকে উৎখাত করা হয়। নিজেদের পকেট পূর্তি করা হয়েছে।
ক্ষমতার মসনদে বসে সুদী মহাজন ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অ-সরকার। ক্ষমতায় বসেই তারা বন্ধ করে দেয় ইপিআই প্রোগ্রাম, যে কর্মসূচির আওতায় টিকা দিয়ে হামের মতো রোগ প্রতিরোধ করা হতো।
শেখ হাসিনার সময় তো এমন অবস্থা হয়নি দেশের।
ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রধান রানা ফ্লাওয়ার্স বারবার অনুরোধ করেও মানাতে পারেননি ইউনুস গংকে। শিশুদের জীবনের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে তাদের গোঁয়ার্তুমি, তাদের লোভ।
অথচ আজ তারা কেউ ক্ষমতায় নেই। তারপরেও দেখেন পাপী ইউনূসের বিরুদ্ধে আদালত পর্যন্ত মামলার আবেদন নেয়না। খারিজ করে দেয়। কেন?
ইউনুসের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ তো দূরের কথা, বিএনপি-জামাত জোট যেন তার দায়মুক্তির প্রশ্রয়দাতায় পরিণত হয়েছে। ইউনুসকে ক্লিনচিট দিতে কী না করছে এই গোষ্ঠী?
হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ নেই।
সন্তান হারানোর এক বাবা বিলাপ করে বলছিলেন, ছেলেকে বাঁচাতে চেষ্টার কমতি রাখিনি। আক্ষেপ শুধু একটাই, যদি একটা আইসিইউ থাকত, তাহলে হয়তো আমার কোল খালি হতো না।
বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে আইসিইউ থাকবে না, এটা মেনে নেওয়া যায় না।
আসলে এটা কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব নয়, এটা এক পরিকল্পিত শিশুহত্যা। আর দায়ী ব্যক্তিরা লুকিয়ে লুকিয়ে হাসছে।
