ঢাকা: সীমান্ত সুরক্ষায় ভারত তৎপরতা জোরদার করেছে। এতে জামাতিদের গায়ে আগুন লেগে ফোস্কা পড়ে যাচ্ছে। ওরা এতটাই মুর্খ আর স্বার্থলোভী যে ভারত তার সীমান্ত কীভাবে রক্ষা করবে, এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেটাও এদের সয় না। রাজাকার চিরকাল রাজাকার।

যাই হোক, এখন শুধু মানুষ সীমান্তে সুরক্ষা দেবে না, টেকনোলজিও দেবে সুরক্ষা। যেহেতু এআই-র যুগ চলে এসেছে।

সীমান্তের সম্পূর্ণ অংশে স্মার্ট ফেন্সিং টেকনোলজি সমৃদ্ধ কাঁটাতারের বেড়া তৈরির পাশাপাশি ভারত সীমান্ত নজরদারিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষাকে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান বন্ধে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যেই সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ফেসিয়াল-আইবল স্ক্যানিং প্রযুক্তি সমৃদ্ধ সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আইএসআর কিউয়ার্ড কপ্টার ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছে।

অর্থাৎ প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির উপর জোর বাড়াচ্ছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সাইবার ডোমেইনভিত্তিক রোবট ব্যবহারের কাজও দ্রুত এগোচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

সীমান্তের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় ইতিমধ্যেই ফেসিয়াল ও আইবল স্ক্যানিং প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আইএসআর (ইন্টেলিজেন্স, সার্ভেইলেন্স and রিকনেইসান্স) কপ্টার ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী এলাকায় এই আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা চালু হয়েছে।

এই নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে সীমান্তে মানুষ তো বটেই এর সাথে যানবাহন বা পশুর গতিবিধিও সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

নতুন ব্যবস্থায় চাকা কিংবা পায়ে চলাচল করতে সক্ষম স্বয়ংক্রিয় রোবট সীমান্তে টহল দেবে।

প্রতিকূল আবহাওয়া, ঘন কুয়াশা কিংবা রাতের অন্ধকারেও তাদের কোনো সমস্যা নেই, তারা তাদের কাজ চালিয়ে যাবে।

অত্যাধুনিক ড্রোন আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে রিয়েল-টাইম ভিডিও ও থার্মাল ইমেজ সরবরাহ করবে।

শুধু তাই নয়, সীমান্তের মাটির নীচে ফাইবার-অপটিক সেন্সর এবং ইনফ্রারেড লেজার বসানোর পরিকল্পনাও আছে ভারতের।

এটা কম্পনের কাজ করবে। কোনও ব্যক্তি বা যানবাহনের চলাচলের ফলে কম্পন তৈরি হলেই তা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সংকেত পাঠাবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *