ঢাকা: মা বাবা, অভিভাবকেরা আশা নিয়ে শিশুদের মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন, যে শিশুটি ধর্ম শিখবে! কিন্তু শেখে কী? জঙ্গীবাদ। আর এই শিশুদের সাথে দিনের পর দিন অন্যায় হয়। তাদের ধর্ষণ করা হয়, মেরে ফেলা হয়।
ধর্মের দোহাই দিয়ে এইসব হয়েই আসছে।দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ আসছে বিভিন্ন মাদ্রাসায় লুকিয়ে রাখা হচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র।
এবং এইসব অভিযোগ কখনোই মিথ্যা নয়। সম্প্রতি তার জ্বলন্ত উদহারণ পাওয়া গিয়েছে আশুলিয়ার একটি মাদ্রাসার ভিতরে।
সেখানে সাজানো আগ্নেয়াস্ত্র, আর তা খোদ পাকিস্তানি।
তার মানে পাকিস্তান থেকে অস্ত্র আমদানি চলছে দেশে।
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ভবনের টয়লেট থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা একটি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে র্যাব-৪। ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীপুর গণকবাড়ী এলাকার তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল মাদ্রাসায়।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে অভিযান চালিয়ে এই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই হৈচৈ পড়ে গিয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র্যাব সদস্যরা অস্ত্রটি উদ্ধার করে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, র্যাব-৪-এর সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্পের একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই মাদরাসায় অভিযান চালায়।
প্রথমে সেখানে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক মজুতের তথ্য পেয়েছিল র্যাব। পরে মাদরাসা প্রাঙ্গণে অভিভাবকদের ওয়েটিং রুমের পাশের একটি নির্মাণাধীন ওয়াশরুমে তল্লাশি চালানো হয়।
এবং ওয়াশরুমের টয়লেটের মেঝেতে কয়েকটি ইটের নিচে লুকিয়ে রাখা একটি ছেঁড়া শপিং ব্যাগের সন্ধান মেলে।
সেই ব্যাগের ভেতর সবুজ পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি রিভলবার এবং দুই রাউন্ড ২২ বোরের গুলি পাওয়া যায়।
র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত আট চেম্বারবিশিষ্ট সিলিন্ডারের রিভলবারটির ব্যারেল, ট্রিগার ও হ্যামারসহ সবকিছু অক্ষত রয়েছে। অস্ত্রটির গায়ে ইংরেজিতে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা খোদাই করা রয়েছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া গুলির পেছনেও ইংরেজি অক্ষর ‘টি’ খোদাই করা ছিল।
র্যাব সদস্যরা অস্ত্রটি আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করেছে। মালিকানা শনাক্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।স্থানীয়রা এই ঘটনায় চরমভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
