ঢাকা: এই যে শিশু ধর্ষণ চলছে দেশে, এই ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে। ইমাম, হুজুরদের কাছে ভরসা নিয়ে সন্তানকে পাঠান ধর্ম শিক্ষার জন্য মা বাবা, আর এই বাচ্চাগুলোকে ধ্বংস করে ধর্ম ব্যবসায়ী গুলো।

যাদের একহাতে থাকে কোরান আরেক হাতে ধর্ষণ।

এইসব ঘটনার বিরুদ্ধে বারবার প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে লেখক তসলিমা নাসরিনকে। কিন্তু এত প্রতিবাদের পরেও সরকারের নট নড়ন চড়ন।

আমরা ধরেই নিলাম, আপনারা তসলিমার কথা শুনবেন না কারণ তিনি আপনাদের চক্ষুশূল। তিনি নির্বাসিত, তিনি সত্য কথা বলেন।

তারপরেও অন্তত দেশের শিশুগুলোর জীবনের কথা তো চিন্তা করা উচিৎ সরকারের!?

এই যে এইডস বা এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দেশে, এগুলো এমনি এমনি?

তসলিমা নাসরিন এর আগেও ফেসবুকে প্রচুর লিখেছেন মাদ্রাসার অপকর্ম নিয়ে।

তিনি লেখেন, “শিশু-ধর্ষণের মহামারি শুরু হয়েছে। মাদ্রাসা যদি বন্ধ না হয়, এই ধর্ষকরা আরও আরও শিশু-ধর্ষণ করবে, আর শিশু-হত্যা করবে। কোরান হাদিস পড়ে মানুষ হয় ধর্ম-ব্যবসায়ী নয় ধর্ষক।

কেউ কেউ আবার দুটোই হয়। মাদ্রাসা নামক ধর্ষণাগার আর টরচার চেম্বার বন্ধ হলে শিশুরা বাঁচবে, আর ওয়াজ ব্যবসা বন্ধ হলে যুব সমাজ বাঁচবে।

ইমামরাও বসে নেই, তারাও শিশু-ধর্ষণে নেমেছে। মসজিদও বন্ধ হোক। কারও নামাজ পড়ার ইচ্ছে হলে ঘরে নামাজ পড়বে। ধর্ম বিশ্বাস নিতান্তই ব্যক্তিগত। ধর্মের ইমারতগুলো মানুষের মঙ্গলের কোনও কাজে আসে না”।

এবার ময়মনসিংহে ৫ বছরের শিশুটি ধর্ষণ হবার পর আবার মুখ খুলেছেন তিনি।

লেখেন, “আমরা প্রতিদিন খবরে পড়ছি যে মাদ্রাসার শিক্ষকরা, মসজিদের ইমামরা শিশু ধ*র্ষণ করছে।

কিন্তু যে ঘটনাগুলো সংবাদমাধ্যমে আসে, সেগুলোই কি সব?অধিকাংশ অভিভাবক, যাদের সন্তান যৌন নির্যাতনের শিকার হয়, তারা থানায় অভিযোগ করেন না, সাংবাদিকদের জানান না।

লজ্জা, ভয়, সামাজিক চাপ, কিংবা প্রভাবশালীদের হুমকির কারণে ঘটনাগুলো গোপন করে রাখেন। ফলে অসংখ্য অপরাধ কখনও পরিসংখ্যানে আসে না।

যদি প্রতিটি শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসত, যদি প্রতিটি পরিবার সাহস করে অভিযোগ করত, তাহলে দেখা যেত, ধর্ষণ , বলাৎকার, যৌন নির্যাতনই ধর্মের লেবাস পরা লোকদের একমাত্র কাজ।

মানুষ এখন জানে, কোরান হাদিস জানা মানে, ধর্ম কর্ম করা মানে ভাল মানুষ হওয়া নয়। বরং দেখা যাচ্ছে, যত এরা ধর্ম করে, তত এরা কুকর্ম করে”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *