ঢাকা: পাকিস্তান বাংলাদেশের স্কুলে দেয়ার জন্য ১ হাজার ফুটবল দিয়েছে, এটা কম কি তাই না?
তারা ১৯৪৭-১৯৭১ শুধু নিয়েছে, ধর্ষণ, লুট, হত্যা করেছে বাঙালীকে। এখন দিচ্ছে, সরকার নিচ্ছে। ক্ষতি কি?
এক হাজার ফুটবল বাচ্চাদের বিলিয়ে দেয়ার সামর্থ্য যদি সরকারের না থাকে, তাহলে দেবে না। মেরুদণ্ড থাকলে কী কোনোদিন বিএনপি সরকার পাকিস্তান থেকে হাত পেতে ফুটবল নিতো?
এ তো নেয়া না, বিকিয়ে দেয়া। আর ওদিকে দেয়া না,, আরো লুটের বন্দোবস্ত করা।
পাকিস্তানের মোহমায়া এখনো কাটাতে পারেনি ওরা, রাজাকাররা তাই তো একটি অংশ পাকিস্তানের সাথে জুড়তে চায়।
১ হাজার দিয়েছে এই তো বেশি তবে বাংলাদেশে মোট স্কুল যেন কতটি?
যার দেবার মুরোদ নেই সে দেবে কোথা থেকে?
বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ফুটবল দিয়েছে পাকিস্তান।
রবিবার (২১ জুন) ঢাকায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্রীড়াসামগ্রী হস্তান্তর করেন।
পাকিস্তান হাইকমিশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিখ্যাত ফুটবল উৎপাদনকারী অঞ্চল পাকিস্তানের শিয়ালকোটে তৈরি এই উচ্চমানের বলগুলো ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে এগুলো সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতরণ করা হবে। হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এই উপহার শিক্ষার্থীদের মধ্যে শারীরিক সক্ষমতা ও ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার আরও উল্লেখ করেন, শিয়ালকোটের বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘ফরওয়ার্ড স্পোর্টস’ ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরির পাশাপাশি চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’ (Trionda) উৎপাদন করেছে।
ফুটবল হস্তান্তরের পাশাপাশি সৌজন্য সাক্ষাৎকারে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া ও যুব উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
