ঢাকা: ধানমন্ডি ৩২-এ কানায় কানায় নিরাপত্তার চাদর। কেউ যদি না জানে মনে করবে এরা ধানমন্ডি ৩২ কে রক্ষা করার জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে!
আসলে কি তাই? ধানমন্ডি ৩২ তো জঙ্গী রাজাকাররা কবেই ভেঙে গুঁড়ো করেছে। এখন পুলিশ, প্রশাসন, সেনা নামানো হয়েছে আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার জন্য।
আজ যেহেতু ২৩ জুন, দলটির কর্মসূচি যদি কিছু বেরোয়, জয় বাংলা স্লোগান তো উঠবেই- সেগুলো প্রতিহত করার জন্য দেশে প্রায় ৬ টি জেলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
এবং সকাল থেকে ধানমন্ডি ৩২ কড়া নিরাপত্তা। যেন আওয়ামী লীগ দেখবে আর গুলি করবে- ভাবখানা এমন।
এদিকে, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলটির যেকোনো ধরনের তৎপরতা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে টোকাই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সবচেয়ে শয়তান, জঙ্গী এনসিপি – জামাতের বি টিম-যারা ৫ আগস্ট ঘটিয়েছে ছাত্রদের ব্রেন ওয়াশ করে। পেছনে তো আরো আছেই ব্যাক আপ।
সোমবার (২৩ জুন) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির কথা জানানো হয়।
নির্দেশনায় এনসিপির সকল স্তরের নেতা-কর্মীকে আজ বিকেল পাঁচটায় নিজ নিজ জেলা ও মহানগর এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল তো পুরো রাত অভিযান চলেছে। অভিযানের নামে সাধারণ জনগণকে শাস্তিভোগ করানো হয়েছে।
আজকেও তাই চলবে। দেশে সামরিক তৎপরতা দেখে মনে হচ্ছে কোনো যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি চলছে।
তাদের মূলত জ্বলে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংকটার জন্য।একটা বিশাল ভোটব্যাংক এবং সেটা আবার প্রজন্মের পরে প্রজন্ম ধরে চলে আসছে।
সত্যকে কেউ কোনোদিন আসলে চাপা দেয়া যায় না। এইভাবে জুলুম করে চাপা দেয়া যায় না। আওয়ামী লীগ একটা সত্যিকারের দল। হ্যাঁ এটাও সত্য যে তাদের কিছু দোষ ত্রুটিও আছে। দলে থেকেই অনেকে দলের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আবার দুর্নীতিতেও জড়িয়েছে।
তারপরেও আওয়ামী লীগ জনগণের দল। ৫ আগস্ট থেকে জনগণ বলছে, তারা ভালো নেই।
ভোট ব্যাংক নষ্ট করার কম চেষ্টা হয়নি। কখনো একনায়তন্ত্রের তকমা দেয়া হয়, ভারতের কথা টেনেছে।
কিন্তু একটা আওয়ামী লীগ বিরোধী ফোর্স তৈরি করতে পারলেও আওয়ামী লীগের মতো ভোটব্যাংক নিজেরা বানাইতে পারে নাই।
