ঢাকা: কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা করেছে আওয়ামী লীগ, এমন খবর পাওয়া যায়নি। তারপরেও প্রচুর গ্রেপ্তার করা হয়।
শান্তিপূর্ণভাবেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সম্পন্ন হয়েছে! এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে ব্যর্থ করার জন্য, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠন ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন!
একটি বিষয় হলো, বিএনপি সরকারের বয়স এক বছরও হয়নি এখনি সাংগঠনিকভাবে কি এতখানি ভেঙে পড়েছে যে সেনাবাহিনী নামাতে হলো?
তারাই তো দাবি করে প্রকাশ্যে তে আওয়ামী লীগ নেই দেশে। যে দলের নাকি জনসমর্থন নেই, যাদেরকে নাকি ফ্যাসিস্ট বলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে, নয়া বাস্তবতায় তারা নাকি অপ্রাসঙ্গিক- তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তো ছাত্রদল যুবদলই যথেষ্ঠ পাহারা দেবার জন্য।
আরো তো আছেই , যেমন ছাত্র শিবির, এনসিপি, এবি পার্টি, আজাদ পার্টি। এতকিছু থাকতেও সেনা নামাতে হলো?
আওয়ামী লীগ কি সরকার ফেলে দেবে? যে দল নিষিদ্ধ সে দল কয়েকটা মিছিল করে সরকার ফেলে দেবে এটা কী এতই সোজা?
মূল এবং মাটির কথা হলো, আওয়ামী লীগ এদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের সাপোর্ট আজও ধরে রেখেছে। এটা বিএনপি, জামাত দেখাতে চায় না। দেখালে দুর্বলতা প্রকাশ পাবে, জনগণের কাছে মাথা নিচু হবে তাই দেখাতে চায় না।
এদিকে, দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে হামলা ও নাশকতার আশঙ্কাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) রাত মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছেন।
