ঢাকা: ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে বাংলাদেশ। অস্থির অবস্থা ভ্যাপসা গরমে। ছোট ছোট বাচ্চাগুলো গরমে অসুখে পড়ছে। বয়স্কদের অসুবিধা, কারেন্ট না থাকলে কেউ টিকতে পারে বর্তমান সময়ে?
সেখানে দেখা যাচ্ছে ২০ ঘন্টাই কারেন্ট থাকেনা।
শিশু বাচ্চা বয়স্ক মানুষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সবধরনের লেখা পড়ার সমস্যা হচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুৎ বিল কিন্তু জবরদস্ত আসে। এত লোডশেডিং কিন্তু বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি। একজন ভুক্তভোগী বলছেন, ‘এ মাসে আমার বাড়ির বিল আসছে ১৫০০ টাকা’ ।
লোডশেডিং এ নাজেহাল দেশবাসী !!
বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ জন জীবন।
ক্ষোভে, অতিষ্ঠ হয়ে রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ। তীব্র গরমে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়মের অভিযোগে টাঙ্গাইল, ঝালকাঠি ও ঢাকার দোহারে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধ ও বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন গ্রাহকেরা।
এদিকে, লোডশেডিংয়ে বিশ্বকাপ খেলা দেখতে না পেরে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিদ্যুৎ কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
এইদিকে আবার নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় টানা লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের একাংশ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে ভাঙচুর করেছে।
২৮ জুন রবিবার সকালে কেন্দুয়া পৌরসভার সাউদপাড়া এলাকায় অবস্থিত কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং এবং ফুটবল খেলা চলার সময় আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধদের একটি অংশ অফিসে গিয়ে ভাঙচুর চালায়।
কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘আমাদের বরাদ্দকৃত বিদ্যুতের বাইরে সরবরাহের কোনো সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ ঘাটতি ও অফিসে ভাঙচুরের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
