ঢাকা: আবারো দেশে হিন্দুর ওপর অমানবিক আক্রমণ! মন্দিরের পুরোহিতকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এর কারণ কী? হয়তো পুলিশ বলবে, খুঁজে দেখছি। তবে এখানে খুঁজে দেখার কিছুই নেই। হিন্দুদের ওপর প্রতিহিংসা, বিদ্বেষের আগুন জ্বলছে জঙ্গীদের।
হিন্দুশূন্য না হওয়া পর্যন্ত রেয়াত দেবে না ওরা।
আর লুকিয়ে লাভ কি? বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক সকল জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য। চাপাতির কোপ খেয়ে এভাবেই মরতে হবে হিন্দুদের। কিচ্ছু করবে না কোনো সরকার।
রাজধানীর ওয়ারীর নারিন্দা এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের পুরোহিত সুভাষ দেউরীকে (২৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে কট্টরপন্থী, মৌলবাদীরা।
সোমবার (২৯ জুন) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এই পৈশাচিক হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার পর অনেক সময় রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিলেন পুরোহিত সুভাষ দেউরী। পরে মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
তিনি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্যামল দেউরীর ছেলে এবং বর্তমানে নারিন্দা রোডের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।
সুভাষের রুমমেট দুর্যয় সাহা জানিয়েছেন, রাতে ওষুধ কিনতে বাড়ি থেকে বের হলে একদল (পিশাচ) ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা তাঁর মাথা, হাত ও পায়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সকালে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চিকিৎসকদের মতে, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষত করে ফেলা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, হামলার সময় সুভাষের সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় শয়তানরা। পরে ছিনতাই হওয়া একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার বোনের কাছে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণও দাবি করা হয়।
