ঢাকা: সেপটিক ট্যাংকে মারা যাওয়ার ঘটনা দেশে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ঘটেছে। একজনকে বাঁচাতে গিয়ে আরো কয়েকজনের মৃত্যু ঘটে।

ট্যাংকে মৃত্যুর প্রধান কারণগুলো হলো:

অক্সিজেনের ঘাটতি – সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা খুব কম থাকতে পারে। এতে কয়েক মিনিটের মধ্যে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

বিষাক্ত গ্যাস – পচন প্রক্রিয়ার ফলে ট্যাংকে বিভিন্ন গ্যাস জমে,

যেমন:

হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S): বেশি মাত্রায় থাকলে এক-দুই শ্বাসেই মানুষ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারাও যায়।

মিথেন (CH₄): এটি দাহ্য গ্যাস; আগুন বা স্পার্ক হলে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂): এটি অক্সিজেনকে সরিয়ে দেয়, ফলে শ্বাসরোধ হতে পারে।

আর উদ্ধার করতে গিয়ে ঘটে আরো দুর্ঘটনা। একজন অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে বাঁচাতে আরেকজন কোনো সুরক্ষা ছাড়াই নেমে যান। তিনিও একই গ্যাসে আক্রান্ত হন। এভাবে একাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর আমরা পাচ্ছি ।

এবার রাজধানীর কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে একটি আবাসিক ভবনে সেপটিক ট্যাংকে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

এতে তিন যুবক গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন- মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১ জুলাই) রাতে ঘটনার পর পরই দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের ঢামেক বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে সেখানে থাকা তিনজন দগ্ধ হন।

তাদের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে ও বাকি দুইজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *