ঢাকা: সালাউদ্দিন আম্মার।একজন ভয়ংকর জুলাই সন্ত্রাসী। মনে আছে নারীর যৌনাঙ্গ নিয়ে তাদের মুখের অশ্লীলতা? হাদি যেই পথে গেছে, এরাও সেই পথে যাচ্ছে।
একজন দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতক রাজাকার ও দেশ ধংসকারী এই আম্মার! সে আবার কিসের বিপ্লবী? দেশ ধংসকারী কখনো বিপ্লবী হয় না। এটা অশিক্ষিত মুর্খের আত্মতুষ্টি।
তার শাস্তি অনিবার্য। কিন্তু হবে কি তাঁর শাস্তি?
শেখ হাসিনা যে এইসব রাজাকার আম্মারদের মত, জামাতিদের বাটামের উপরে রাখতেন কেন জানেন?
সেটার প্রমাণ আপনারা তাদের বক্তব্যেই পাচ্ছেন।
এখন একজন নারীর নাক মুখ ফাটিয়ে রক্ত বের করে দিতে পারলে তাকে পুরস্কার দেয়া হবে ঘোষণা করেছেন এই আম্মার!
সেই নারী শাওন। শাওনের পেছনে এখন মব লেলিয়ে দিচ্ছেন শিবির গোষ্ঠী। কারণ শাওন জুলাইর বিরোধিতা করেছেন। অন্যদের মতো ন্যাকা ন্যাকা কথা বলেননি।
খুব কম মানুষই বিকৃত সামাজিক এপিসোডের প্রতিবাদ করার সাহস রাখে; শাওন এই স্বল্প সংখ্যক মানুষদের একজন।
শাওনের কাছে হেরে গেছে জুলাই জঙ্গী উত্থানের নায়ক- নায়িকারা। শাওন একাই যথেষ্ট কুৎসিত চরিত্রের রাজাকার শ্রেণীর মানুষদের ডাষ্টবিনে পাঠানোর জন্য।
তাই জ্বলে উঠছে রাজাকার গোষ্ঠী।
রাজাকার এবং লালবদররা শাওনকে লক্ষ্য করে অপমানজনক পোষ্ট দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাতে তো পরিষ্কার মনে হচ্ছে, তাঁর নিরাপত্তা হুমকির মুখে।
জামাত শিবির রাজাকারের কাছে নারী আসলে ভোগের বস্তু ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা দেখে এসেছি, এখনো দেখছি। অথচ নির্বাচিত একটা সরকার বসে আছে, তারপরেও রগকাটা শিবির হুমকি দেয় কীভাবে?
অভিনেত্রী, নির্মাতা, প্রযোজক ও সংগীতশিল্পী মেহের আফরোজ শাওনকে জুতার বাড়ি মারতে পারলে ১ লাখ টাকা এবং জুতার আঘাতে নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের করে দিতে পারলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহ উদ্দীন আম্মার।
এটা শুধু ঘোষণা না, মব লেলিয়ে দেয়া।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে দেয়া এক হুমকিস্বরূপ পোস্টে এই ঘোষণা দেন তিনি।
আম্মার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘এই মহিলারে যে জুতার বাড়ি মারতে পারবে তারে ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেব। জুতার বাড়ি মেরে নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের করে দিতে পারলে ২ লাখ টাকা। এখন কেউ মব উস্কানি বলতে আসলে ওইডারে ভরা বাজারে পিটামু।’
অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তাঁর নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জুলাই নিয়ে পোস্ট করেছিলেন।
তাতেই রাকসু জিএস সালাহ উদ্দীন আম্মারের অবস্থা কাহিল হয়ে গেছে।
মোহের আফরোজ শাওন তার পোস্টে লিখেছিলেন, গত ১ বছরে প্রায়ই ফেসবুকে একটা শব্দ চোখে পড়েছে- জুলাই CDI… আমার পরিচিত অনেকের লেখাতেই শব্দটা দেখেছি। আবার অপরিচিত অনেকেও লিখেছে। প্রথম প্রথম ভেবেছিলাম কোনো একটা ট্রেন্ড। শুধু জুলাই মাসেই হয়তো তারা এটি লেখে; কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখলাম, সারা বছরই ফেসবুকে বেশিরভাগ মানুষ লিখছে শব্দটি।
তিনি আরও লিখেছিলেন, তখন বুঝতে পারলাম যে, শব্দটি শুধু জুলাই মাসে না, যেকোনো সময় লেখা যায়। মন খারাপ থাকলে যেমন আস্তে করে লেখা যায়, তেমনি মন খুব ভালো থাকলেও হো হো করে হাসতে হাসতে লেখা যায়।
বন্ধুর সঙ্গে আড্ডার গল্পে যেমন লেখা যায়, তেমনি কারো ওপর ভীষণ রেগে গেলেও লেখা যায়। আবার মনের অবস্থা ভালো না মন্দ আপনি বুঝতে পারছেন না, তখনও আপনি লিখতে পারেন। আমার বাবা এতকিছু ভেবে কাজ নেই। আজ যেহেতু পয়লা জুলাই, তাই আমিও লিখলাম …।’
