ঢাকা: তিনি নাকি ব্যারিস্টার ফুয়াদ! অথচ তাঁর মুখের ভাষা, চাল চরিত্র কথা বলে তিনি একজন অশিক্ষিত, পাকিস্তানি, রাজাকার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে চূড়ান্ত অবমাননাকর কথা তিনি বলেছেন। আসলে যার সুশিক্ষা নেই, আছে শুধু মাদ্রাসার ভরা ভরা বিদ্বেষমূলক কথা, ভিতরে হিংসা, হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ তার কথাবার্তা এমন হওয়াই স্বাভাবিক।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ফুয়াদের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেছেন, ভাষা আন্দোলন, ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন এবং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ—বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান রয়েছে। এরপরও যারা এ বাস্তবতা অস্বীকার করেন, তাদের ‘উন্মাদ’ ছাড়া আর কিছু বলার নেই।
একটি গণমাধ্যমের টকশোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি কথাগুলো বলেন।
দুদু বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রসংগঠনই দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাই কোনো না কোনো সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু ইতিহাস অস্বীকার করা যায় না।”
জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, “বিরোধী দলগুলো নিজ নিজ আদর্শ অনুযায়ী রাজনীতি করবে, বিএনপিও তাই করছে। তবে জামায়াতে ইসলামী সবসময় জুলাই ইস্যুকে সামনে আনার চেষ্টা করছে। সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে কার্যকর আন্দোলন গড়ে তুলতে না পেরে তারা ভিন্ন কর্মসূচির দিকে ঝুঁকছে।”
