বান্দরবান: বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় পাহাড়ি বন্যা, পাহাড়ি ঢল, ও পাহাড়ধস শুরু হয়েছে একটানা ভারি বৃষ্টির কারণে।
আজ রাতেও কক্সবাজার, বান্দরবান, দক্ষিন চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাঝারি থেকে ভারি মানের বৃষ্টির আশংকা করা যাচ্ছে।
বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
রোহিঙ্গা রিফুজি ক্যাম্পগুলোতে পাহাড় ধ্বসের ঝুঁকি রয়েছে প্রচন্ড রকমের।
টানা তিন দিনের দিনের ভারী বর্ষণে এমন দুর্যোগ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে।
জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকালে সীমান্তবর্তী উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়িতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মৃত শিশুটির নাম আলিয়া সোলতানা (৫)।
টানা বৃষ্টির ফলে পাহাড়ধসের আশঙ্কা, আকস্মিক পাহাড়ি ঢল, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রবল বন্যার ভয় দেখা দিয়েছে।
এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করেন সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
আগামি কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
