ঢাকা: এখন তো ৮০/৯০% রাজাকার দেশে। এরা সবাই জুলাই যোদ্ধা। বলতে গেলে সারা দেশটাই জুলাই যোদ্ধা।
এখন তো নিজে নিজেই হাত ঠ্যাং ভেঙে জুলাই যোদ্ধা সেজে টাকাপয়সা কাড়তে চলে যাচ্ছে জঙ্গীরা!
জুলাই তো এখন ঝুলাই হয়ে গেছে। জুলাই আন্দোলনে কোন আহত না হয়ে ও অনেকছ গেজেট ভুক্ত ভাতাধারী জুলাই যোদ্ধা।
৫ আগষ্ট মটর সাইকেল নিয়ে পরে গিয়েছিল, পরে সদরে হসপিটালে এসে রিপোর্ট করিয়েছে পুলিশ তাকে মাটিতে ফেলে মেরেছে আর ছবি তোলে রেখেছে। পরে এই ছবিকে কাজে লাগিয়ে এখন কৌত যে জুলাই যোদ্ধা সাজছে।
হিসেব তো বেরোচ্ছে সব!
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত দাবি করে জমা পড়েছে আরো নতুন আবেদন। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ে প্রায় ২০০টি আবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া বলে শনাক্ত করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো।
অর্থাৎ এরা সাজানো যোদ্ধা। এরকম খুঁজলে আরো বেরোবে।
শুধু তাই নয়, প্রায় ৬০০ আবেদনে তথ্যগত অসংগতি, একই ব্যক্তির একাধিক আবেদন জমা এবং শহীদের নামে আহত হিসেবে আবেদনসহ নানান ধরনের দুই নাম্বারি, তিন নাম্বারি অনিয়ম পাওয়া গেছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ২ হাজার ৩৮৮টি আবেদন পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যাচাই করে।
এর মধ্যে ১ হাজার ৫৯০ জনের তথ্যের সত্যতা মিলেছে। তাদের জুলাইযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
বর্তমানে তিনটি ক্যাটেগরিতে গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৭০। নতুন ১ হাজার ৫৯০ জন যুক্ত হলে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৫ হাজার ৯৬০ জনে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখনো নতুন আবেদন জমা পড়ছে। যাচাইয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদেরও নাকি গেজেটভুক্ত করা হবে।
অন্যদিকে, অসত্য তথ্য দিয়ে কেউ গেজেটভুক্ত হয়ে থাকলে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।
এখন তো নতুন সরকার এসেছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাজ হয়েছে জুলাই যোদ্ধা খোঁজা। কাঁঠালের আমসত্ত্ব আগে জেনেছেন যে হয় না, এখন হয়।
ওরা জানিয়েছে, গত বছরের শুরুর দিকে ‘জুলাই শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধা’দের গেজেট প্রকাশের পর নতুন করে অনেকেই আহত ‘জুলাইযোদ্ধা’ দাবি করে আবেদন করেন। বিভিন্ন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরে আবেদন জমা পড়ে।
এর আগে প্রকাশিত গেজেটে কিছু নাম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় ১৩ জন শহীদ এবং ২১৯ জন আহত জুলাইযোদ্ধার নাম বাতিল করা হয়েছিল। নতুন করে এমন বিতর্ক এড়াতে এবার গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই করা হয়েছে।
