ঢাকা: পাকিস্তান না বাংলাদেশ!? (হাহাহা) নাহ! এর আবার দুই আছে নাকি? পাকিস্তান বাংলাদেশ তো একই! এর আবার আলাদা করে প্রতিবাদের স্লোগান উঠবে কেন?

ঐ যে রাজাকাররা বলছে, বাংলাদেশ কেন পাকিস্তানের উপর নির্ভর করতে পারছে না এখনো?

আসলে রাজাকারদের প্রশ্নটাই তো ভুল, নির্ভর করে শুধু নাকি? ঘাড়ে উঠে বসে আছে!

বাংলাদেশের শত্রু পাকিস্তান নয় বরং ভারত! গণহত্যা চালিয়েছিলো ভারত, পাকিস্তান বলে চালিয়ে দিয়েছিলো। এখন তো এই কথাগুলোও বলা শুরু করেছে রাজাকারেরা।

বাংলাদেশের প্রায় দুই কোটি মানুষের মস্তিষ্ক এখন ” পাকিস্তান জিন্দাবাদ ” ভাইরাসে আক্রান্ত। কী অদ্ভুত এরা! বাংলাদেশে বসে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেয়।

এবার তো ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে প্রাপ্ত জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দেশ আমেরিকার ২৫০ তম স্বাধীনতা দিবস পালনের মধ্য দিয়ে সব মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে।

আমেরিকা থেকে শুকর আমদানির চুক্তি করে গোপনে দেশটা বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। মনে হয় তা এই দেশের কেউই বুঝতে পারেনি।

জুলাইয়ের ভণ্ডামির মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন পাকিস্তানের মিনি ক্যান্টনমেন্ট।

কিছুদিন আগেই নিশ্চয়ই দেখেছেন সেকেন্ড বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন এর চারটি সাব ইউনিটের নাম রাখা হয়েছে আবু বকর, উমর , উসমান ও আলী। অভিযোগ আছে, এই সেনাবাহিনী ঢাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরীরের পোস্টার লাগাতে সহযোগিতা করতো।

এবার সেই পাকিস্তানের সাথে বৈঠক করলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভী।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আসলে এই আলোচনার অর্থ কী বলতে পারবে বাংলাদেশ?

আলোচনার শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফল বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ওই সফরের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা দুই দেশের সীমান্ত ও সমাজ সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

১৪ বছর বিরতির পর গত জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের ৪০টিরও বেশি প্রধান শহরে বাস্তবায়িত ‘সেফ সিটি’ উদ্যোগ এবং আধুনিক নগর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয় হতে পারে।

বাংলাদেশের শহরগুলোকে আরও নিরাপদ করতে পাকিস্তান কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা প্রদান করতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *