ঢাকা: আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বেশি দাম দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
তা নিজের ক্ষতি করেও কেন যুক্তরাষ্ট্র থেকেই নিতে হবে?
এখন কেন প্রশ্ন ওঠে না গোলামি না আজাদি? এটি কি “গোলামি”, না “আজাদি”?
জামাত এখন কেন প্রশ্ন করে না?
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ছিল পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। অথচ সেই সম্পর্ককেই তারা বছরের পর বছর “গোলামি” বলে অপপ্রচার করেছে।
এখনো করে। এখনো যাচ্ছেতাই কথাবার্তা শোনা যায়।
অথচ এখন কার গোলামি খাটছে দেশ? এমনকি আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পর্যন্ত পালন হচ্ছে দেশের সংসদ ভবনে!?
গত দুই বছরে রাজাকার, জামাত শিবির, ভারত বিরোধীরা শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে করা একটি চুক্তিও দেখাতে পারেনি, যা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ছিল।
বরং বাস্তবতা হলো, শেখ হাসিনা পাইপলাইনের মাধ্যমে স্বল্প খরচে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির ব্যবস্থা করেছিলেন, যা সংকটকালে দেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
আজ সত্যিকারেরই গোলাম হয়ে গেছে বাংলাদেশ। এই গোলাম বানিয়েছে ইউনূস।
ইউনূস-তারেক-জামায়াত গং দেশের স্বার্থ বন্ধক রেখে বিদেশি শক্তির কাছে নতজানু হয়েছে। এতকিছুর পরেও কেউ কোনো কথা বলে না। কলুর বলদের মতো খেটে যাচ্ছে দেশ।
আর তাই গম বেশি দাম দিয়েও আমেরিকা থেকে কিনতে হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকেও ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গম আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৫২ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
সরকারি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ধারাবাহিকভাবে গম আমদানি করা হচ্ছে।
এর আগে চারটি চালানে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গম দেশে এসেছে।
প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন, দ্বিতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮০২ টন, তৃতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮৭৫ টন এবং চতুর্থ চালানে ৬০ হাজার ৯৫০ টন গম দেশে আসে।
চলতি বছরও একই ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও কয়েক দফায় গম আমদানি করা হয়েছে।
