চট্টগ্রাম: পানিতে চট্টগ্রামের পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
সাতকানিয়ার রামপুর অংশে ডলু নদীর ভাঙ্গনে লোকালয়ে প্রবেশ করছে পাহাড়ি ঢলের পানি। পশ্চিম সাতকানিয়া তথা এওচিয়া, কাঞ্চনা, মাদার্শা আমিলাইশের নিচু অঞ্চলগুলো ইতোমধ্যে প্লাবিত হচ্ছে।
মেয়র সাহেব এখনো কী করছেন? প্রতারণা করলেন চট্টগ্রামবাসীর সাথে রীতিমতো!
টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামবাসীর দুর্ভোগ এখনই কাটছে না। আগামি দিনগুলোতে দুর্ভোগ আরও বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ থেকে ৪ দিন চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু জেলায় দফায় দফায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আরো বৃষ্টি হলে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটবে।
আবহাওয়া অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান জেলায় বৃষ্টির তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকতে পারে। পাহাড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে ।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পুরো জেলায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ সম্পূর্ণ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৫৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
প্রশাসন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।
বুধবার রাতে গণমাধ্যমকে দেশের এই বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির সর্বশেষ চিত্র নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।
এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ। সেখানে একাই প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানির নিচে বাস করছেন। ভীষণ করুণ অবস্থা হয়ে গেছে মানুষের।
এছাড়া বাঁশখালীতে ৬ হাজার ৫০০ জন, আনোয়ারায় ২ হাজার ২০০ জন, কর্ণফুলী ও রাঙ্গুনিয়ায় ৩০০ জন করে মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
