ঢাকা: প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালন হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ঘোষিত ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য হলো ‘রিয়েলাইজিং দ্য হোপস অ্যান্ড অ্যাস্পিরেশনস অব ইয়ং পিপল-টুডে অ্যান্ড ফর দ্য ফিউচার’, যার অর্থ তরুণদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা উপলব্ধি করা- আজ এবং ভবিষ্যতের জন্য।
এই প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য হচ্ছে , তরুণদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রজনন অধিকার ও সামগ্রিক বিকাশে বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরা, যাতে করে তারা টেকসই এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
জাতিসংঘ ও ইউএনএফপিএ গত ৩ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে জনসংখ্যা, পরিবার পরিকল্পনা, প্রজনন স্বাস্থ্য, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মানবাধিকার, লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করে আসছে।
প্রতিবছর সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে
বাংলাদেশেও ১১ জুলাই দিনটি পালন করা হয়।
ইউএনএফপি এর ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২৫’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৫৭ লাখ।
প্রতি বর্গকিলোমিটারে এখানে প্রায় ১ হাজার ১৫ জন মানুষ বসবাস করছে। বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু হচ্ছে ৭২.৮ বছর।
আর বাংলাদেশের জন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি বর্তমানে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয়। ২০৫০ সাল নাগাদ এ দেশের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেটা অবশ্যই ভাবার সময় এসেছে। তার উপর রোহিঙ্গারা তো এই দেশের স্থায়ী হয়ে গেছে। এইভাবে একদিন বাংলাদেশে জন বিস্ফোরণ ঘটবে।
