ঢাকা: যত দোষ মনে হয় এই কয়জন সাংবাদিকরাই করেছেন! অথচ সত্যিকারের যারা দেশ ধ্বংস করেছে, সকল জঙ্গী উপদেষ্টা, জঙ্গী ইউনূস এরা এখনো বহাল তবিয়তে আছে। শিশুহত্যাকারীর বিরুদ্ধে তো কোনো মামলাই নেয় না আদালত! সব ফিট করা আছে!

এবার বিশ্বের পাঁচটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ক সংস্থা সাংবাদিক ফারজানা রূপা, মোজাম্মেল বাবু, শাকিল আহমেদ এবং শ্যামল দত্তসহ বিচার-পূর্ব আটকাবস্থায় থাকা চার সাংবাদিককে শীঘ্রই মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আর্টিকেল ১৯, সিভিকাস: ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স ফর সিটিজেন পার্টিসিপেশন, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যৌথ বিবৃতিতে এই মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

বুধবার সংগঠনগুলোর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “আইনি ভিত্তি ছাড়া এ ধরনের বিচারকাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর একটি ভীতিকর প্রভাব তৈরি করে।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংবাদিকতার কাজ বা সংবাদ পরিবেশনের কারণে কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা আন্তর্জাতিক আইন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সংবাদ প্রচারকে কেন্দ্র করে ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে, যা নিয়ে সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সংস্থাগুলো আরও জানায় যে, গত ১৪ই মে ২০২৬ ট্রাইব্যুনাল রূপা ও বাবুকে গ্রেপ্তার দেখালেও তাদের আইনজীবীরা তদন্তের কোনো প্রমাণ বা অভিযোগপত্র পাননি।

এছাড়া, ফারজানা রূপা, তাঁর স্বামী শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু এবং শ্যামল দত্ত চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া অসংখ্য হত্যা মামলায় একই বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন।

এসব মামলার কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি এবং সাংবাদিকদের সংবাদ পরিবেশন কীভাবে হত্যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে, সে বিষয়েও কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

“সাবেক সরকারের সমর্থক হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হাজারো হত্যা মামলার মধ্যে এগুলো অন্যতম, যার অনেকগুলোরই কোনো জ্ঞাত প্রমাণ নেই। সংবাদ প্রচারের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কীভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে, তারও কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *