ঢাকা: এই যে উস্কানিমূলক ছাত্র আন্দোলন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি, ফার্মের মুরগী স্লোগান- এগুলো সব হচ্ছে উস্কানিতে। জামাত শিবির, এনসিপি আগুনে ঘি ঢালছে।
এই আন্দোলনে সারা দেশে কার্যত ভাইরাল একটি মুখ– লম্বা কাটিং চুল, মাথায় জাতীয় পতাকা, শার্ট, প্যান্ট পরা আর মুখে কার্যত খই ফুটছে তার! একটা কথা বলতে বাঁধে না। যেন সব মুখস্থ।
হুমকি দিচ্ছে ক্রমাগত সরকারকে। ২৪ এ আমরাই সরকার ফেলেছি, ২৬ এও পারবো! আরো অনেক অনেক কথা।
নিজেকে পরিচয় দিয়েছিলো মাইলস্টোনের শিক্ষার্থী হিসেবে। গলায় আই কার্ডও ছিলো। অথচ সে নাকি মাইলস্টোনের ছাত্রীই নয়!?
রাজধানীর মাইলস্টোন কলেজের টিসি পাওয়া সাবেক এই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্র-সংক্রান্ত আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং সরকারবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এবার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তুরাগ থানায় এ জিডি করা হয়। জিডিতে আবেদনকারী হিসেবে মাইলস্টোন কলেজের সিকিউরিটি অফিসার মুহাম্মদ জহুরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষে এ আবেদন করেন।
জিডিতে বলা হয়, রুবাইয়া মেহজাবিন সুহি মাইলস্টোন কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ (ইংরেজি মাধ্যম)-এর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।
তবে শৃঙ্খলাজনিত কারণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনক্রমে তাকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়া হয়। ফলে বর্তমানে তিনি কলেজটির শিক্ষার্থী নন এবং প্রতিষ্ঠানের কোনো পরিচয় ব্যবহারের অধিকারও তার নেই।
এই সুহি বলেছিলো, ১২ কোটি শিক্ষার্থীর হয়ে নাকি লড়াই করছে।
বৃষ্টি ভেজা রজপথ গরম করে ফেলে মেয়েটি।
রুবাইয়া মেহজাবিন সুহি রাজপথে গলা ফাটিয়ে বলেছিল, ‘তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নাই।’
জিডিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে সুহিকে মাইলস্টোন কলেজের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্র-সংক্রান্ত আন্দোলনে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।
কলেজের দাবি, তিনি শিক্ষার্থী না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং কলেজের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানার কাছে আবেদন জানিয়েছে মাইলস্টোন কলেজ কর্তৃপক্ষ।
