ঢাকা: সনাতনীদের বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেয়ার একটা গোপন পরিকল্পনা করা হয়েছিলো! এই ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক। এই বাংলাদেশ বড় অশান্ত হয়ে উঠেছে!
উল্টো রথের যাওয়ার পথে বোমাটা রাখা ছিল,অলৌকিক ভাবে এটা বিষ্ফোরিত হয়নি।
তবে এটা বলা যায়, হিন্দুদের জন্য এলার্মিং, দুর্গাপুজোর বাকী মাত্র তিন মাস। বিষয়টা সব পুজো মন্ডপের মাথায় রাখা উচিত। কারণ বছরের বাকি সময়গুলো তো আছেই, পুজোতে ধর্মান্ধ, হিন্দু বিদ্বেষীদের উৎপাত আরো বেড়ে যায়। তা তো আর নতুন করে বলার দরকার নেই।
রথযাত্রা ছিল বোমা হামলার টার্গেট।
মেট্রো স্টেশনে দুটি টাইম বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এই পথ দিয়ে একটি রথযাত্রার মিছিল যাওয়ার কথা ছিল।
ছাতা ভেবে কেউ ধরতে যাবে, সেই হিসেবে ওখানে রাখা ছিলো। বাইরে থেকে দেখলে বোঝাই যাবে না কিছু।
আর ছাতাটির বোতামে চাপ দিলেই ডিভাইসটি যেন বিস্ফোরিত হয়, এমন করে এটি তৈরি করা হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছে সেটিকে টার্গেট করেই সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই বোমাগুলো পাতা হয়েছিল।
বোমাগুলো ছাতার সাথে এমনভাবে যুক্ত করা ছিল যাতে কেউ ছাতা খুললেই বিষ্ফোরিত হয়। ভয়াবহ অবস্থা। ছাতার ভিতরে জ্বলছিলো লাল লাইট। মূলত সনাতনীদের রথযাত্রা ছিল বোমা হামলার টার্গেট।
রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনে দুটি তাজা টাইম বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষজ্ঞ দল।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের তাৎক্ষণিক সতর্কতা, পেশাদারিত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপে সম্ভাব্য বড় ধরনের নাশকতা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
তাঁরা নিজের মুখেই বলেছেন ঘটনার কথা।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদরদপ্তরের উপ-পরিচালক (মিডিয়া) মো. আশিকুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
আনসার সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে দায়িত্বরত অবস্থায় আনসার প্লাটুন কমান্ডার (এপিসি) মো. রোকনুজ্জামান একটি তাজা টাইম বোমা শনাক্ত করেন।
বিষয়টি তিনি সঙ্গে সঙ্গে স্টেশন কন্ট্রোলারকে অবহিত করেন।
ওই সময় স্টেশনসংলগ্ন সড়ক দিয়ে হিন্দু ধর্মাবম্বীদের রথযাত্রা অতিক্রম করছিল।
এপিসি মো. রোকনুজ্জামান ও আনসার সদস্য মোহাম্মদ আশরাফুল দ্রুত সাধারণ মানুষ এবং রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের সতর্ক করে দেন।
এবং ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
বোমার খবর পেয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষের আহ্বানে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথম টাইম বোমাটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।
পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে আরও একটি তাজা টাইম বোমা উদ্ধার করা হয়। সেটিও নিষ্ক্রিয় করা হয়।
