ঢাকা: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর এখনো দুই বছর বাকি আছে মেয়াদ পূরণ হতে, তবে তার আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন! করেছেন নাকি করানো হয়েছে? এই নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।
জনগণের প্রধান প্রশ্ন হলো—বিএনপি সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখনই যদি রাষ্ট্রপতিকে অযোগ্য বা স্বৈরাচারের দোসর মনে করা হতো, তবে তখনি তাঁকে পদত্যাগ করানো হলো না কেন?
কেনোই বা এতদিন তাঁকে বহাল রেখে এখন হঠাৎ করে এই নাটক সাজানো হলো?
রহস্যজনক উপায়ে পদত্যাগ করানোর পেছনে সরকারের গোপন উদ্দেশ্য কী?
আসলে এতে বিএনপির দেউলিয়াত্ব প্রমাণ হয়েছে আবারো।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এ বিষয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করায় সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
