সিলেট: জামাতের বি টিম এনসিপি ১৪৪ ধারা অমান্য করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হবিগঞ্জ যাচ্ছে! কিছুক্ষণ পর (সা… মা…) ছিঁড়ে মাইর খেয়ে বলবে প্রশাসন আমাদেরকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সরকার প্রশাসন লেলিয়ে দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

মোদ্দা কথা দেশে একটা হুলুস্থুল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে সারজিসরা।

পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের পথে রওনা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

ব্যারিকেডের সামনে পুলিশের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বাগ্‌বিতণ্ডা করে তারা। শেষে বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে রওনা হয়। হবিগঞ্জে গিয়ে তাঁদের সংবাদ সম্মেলন করার কথা।

খবর এলো– পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আবারো বাধার মুখে পড়ে গিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় পৌঁছাতেই তাঁদের পথরোধ করে পুলিশ।

এর আগে আজ বিকেল চারটার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকায় চা–কন্যা ভাস্কর্যের সামনে ঢাকা–সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়। আটকানোর যথেষ্ট কারণ আছে।

ওই গাড়িবহরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যারিকেডের সামনে বাগ্‌বিতণ্ডার সময় পুলিশের এক কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘নিরাপত্তার জন্য থ্রেট (হুমকি) কারা? নিরাপত্তার থ্রেট কারা? আপনি তাদের না ধরে, আমাদের রাস্তা আটকাচ্ছেন? আপনি হবিগঞ্জে হচ্ছে ১৪৪ ধারা দিসেন, শ্রীমঙ্গলের রাস্তা আটকাচ্ছেন? আপনি আনলফুল (বেআইনি) কাজ করতেসেন। তাহলে আপনি আবার কথা বলতেসেন কেন? আপনি আইনের লোক না, আপনি আইনের লোক তো? বলেন কোন আইনে আপনি আমাকে এখানে বাধা দিচ্ছেন?

তখন পুলিশের একজনকে সেখানে বলতে শোনা যায়, তাঁদের সীমানা পাড় হলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

তখন হাসনাত বলেন, ‘ক্ষতি হতে পারে, ক্ষতি হতে পারে। তাইলে আপনি যদি পারেন সিকিউরিটি দিবেন, যদি না পারেন তাহলে আমরা আমাদের দায়িত্ব নিয়ে চলে যাব।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *