চট্টগ্রাম: এস আলমের সব কারখানা বন্ধ।রাষ্ট্রের জন্য অশনি সংকেত। এত এত বেকার কোথায় যাবে? কি হবে তাদের পরিবারের? বেকারত্ব বড় অভিশাপ। যত বেকার বাড়বে সমাজে তত অপরাধ বাড়বে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করার সাথে বেকার হয়ে পড়েছে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। তাঁদের ছাঁটাই করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রয়েছে।

এস আলমের মিল কারখানা বন্ধ করে কর্মী ছাঁটাই করার জন্যেই তো জঙ্গীরা শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছে!

তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, বলাৎকার, চাঁদাবাজি কিংবা জননিরাপত্তার কথা নাই বা বললাম!

এই যে শেখ হাসিনার পতন ঘটালো ওরা এর বিনিময়ে জাতি কি পেলো? দেশের কি পরিবর্তন আসলো?

যে দেশের মানুষ রাজনৈতিক জ্ঞানশূন্য, আবেগে নাচে, মিজানুর রহমান আজহারিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়….আমির হামজার মতো একজন নারী বিদ্বেষী আর হানজালার মতো একজন জঙ্গিকে ভোট দিয়ে সংসদে নেয়, ঐ দেশে মানুষের ভোটাধিকার থাকলেই বা কি? আর না থাকলেই বা কি?

কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়। ছাঁটাই কার্যকর হবে আজ, ১ আগস্ট থেকে।

বলা হয়েছে, কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারা, ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় উৎপাদন চালানো সম্ভব না হওয়ায় এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এস আলম সুগারের শিফট ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. হাসমত আলী বলেছেন, ‘কাঁচামালের সংকটের কারণে গত দুই বছর ধরে কারখানায় উৎপাদন প্রায় বন্ধ ছিল। কাজ না থাকলেও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এতদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিয়েছে। এখন আর সেই পরিস্থিতি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।’

তিনি জানান, শুধু এস আলম সুগার থেকেই ৩৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা ও অবসর সুবিধা পরিশোধ করা হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফায় জনবল কমানো হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম সুগার, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন, ইনফিনিটি সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, চেমন ইস্পাত, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস-এনওএফ, এস আলম স্টিল ও এস আলম ব্যাগ।

এই ছাঁটাইয়ের খবরে শ্রমিকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কী করবেন তাঁরা? কোথায় যাবেন হঠাৎ করে?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *