ঢাকা: বাঙালির শোকের মাস আগস্ট মাস। এই মাসেই বাঙালি হারিয়েছে তাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আগস্ট মাস পরতে পরতেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাসব্যাপী তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
আর এরপরেই সারা দেশে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। তবে জঙ্গী ঠেকানোর জন্য যদি সরকার এই সময়টা ব্যয় করতো তাহলে দেশের উন্নতি হতো!
আওয়ামী লীগ হুটহাট শান্ত মিছিল মিটিং করলেও জঙ্গী কার্যকলাপ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করার মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে ঢুকানো হচ্ছে। ইউনূস আমল থেকে এখন তারেক রহমানের আমল। এখনো এই অবস্থাই চলছে।
সরকারের যথেষ্ট ভুল ধারণাও আছে। যদিও বিএনপি জামাতের কথাতেই ওঠবস করে।
এমন তৎপরতা কিন্তু দুই চার জায়গায় বোমা পাওয়ার পরেও কিন্তু সরকার প্রশাসনের দেখা যায়নি। অর্থাৎ জনগণ মরলে মরুক, আমাদের যেভাবে হোক আওয়ামী লীগ ঠেকাতে হবে।
চলতি আগস্ট মাসের শুরু থেকে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের যেকোনো তৎপরতা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
একইসঙ্গে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকাসহ সারা দেশে পুলিশের ব্যবহৃত জিপ, পিকআপ, বাসসহ বিভিন্ন সরকারি যানবাহন হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে– এমন আশঙ্কায় মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের এক জরুরি বার্তায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দায়িত্বরত অবস্থায় কোনো কারণে পুলিশের যানবাহন থামানোর প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই নিরাপদ স্থানে পার্কিং করতে হবে।
এছাড়া দায়িত্ব শেষে থানা, পুলিশ লাইন্স, অফিস কম্পাউন্ড বা নির্ধারিত স্থানে রাখা সব সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে নিয়মিত টহল, বাড়তি নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম বা তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা নির্দেশনা দিয়ে থাকে।
আগস্ট মাস শুরু হওয়ায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের যেকোনো তৎপরতার বিষয়েও বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
