গাইবান্ধা: ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে আপত্তিকর, অশ্লীল অবস্থায় ধরেছে স্থানীয়রা। এটাই হচ্ছে এদের আসল চরিত্র। ধর্ষক, নারীলোভীরা নাকি আবার দেশের সংস্কার করবে।

ঘটনা গাইবান্ধার।

গাইবান্ধায় এক তরুণীর বাড়িতে এমন অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক হন জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহ্ফুজ সরকার রাকিব।

তারপর তার আচ্ছা শাস্তি হয়। স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ওই তরুণীর সঙ্গেই তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তরুণীর সঙ্গে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে তার বিয়ে হয়। লোকজন দাঁড়িয়ে থেকে ঐ নেতার বিয়ে দেন।

তবে মাহ্ফুজ আবার নিজেকে দুধের মতো পবিত্র দেখানোর চেষ্টা করছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, পারিবারিকভাবেই তার বিয়ে হয়েছে এবং কিছু ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গভীর রাত, তখন প্রায় ১টা, ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ঘোলদহ গ্রামের আব্দুল জলিলের বাড়িতে মাহ্ফুজকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা আটক করেন।

আর দেরি নয়, রাতেই ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে আব্দুল জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সঙ্গে মাহ্ফুজের বিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে মাহ্ফুজ সরকার রাকিব কত চালাক, তিনি দাবি করেন, আগের রাতে দুই পরিবারের অভিভাবকদের মধ্যে নাকি বিয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল, তাই তিনি সেখানে ছিলেন এবং শুক্রবার সকালে পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছু ব্যক্তি গোপনে ভিডিও ধারণ করে খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তার অভিযোগ যদি সত্যিও হয়, তারপরেও তো গুণাহের কাজ করেছেন।

এরা ইসলাম রক্ষার মালিক হয়ে জানেন না ইসলামে বিয়ের আগে যেকোনো ধরনের শারীরিক সম্পর্ক বা মেলামেশা সম্পূর্ণ হারাম বা নিষিদ্ধ? কী জবাব দেবেন তিনি?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *