ঢাকা: পাকিস্তানে কাঁচামরিচ নেই, বোমা, অস্ত্র, জঙ্গী আছে। এগুলো তো বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, বা রাজাকার, দেশদ্রোহীরা ভাতের সাথে মেখে খাবে না।

খেতে হবে কাঁচামরিচই। তাই দিল্লি না ঢাকা চিৎকার করে এখন ভারত থেকেই কাঁচামরিচ আমদানি করতে হচ্ছে উচ্চমূল্য হ্রাস করতে!

৪০০ টাকা কেজিতে পৌঁছেছে কাঁচামরিচ। এটা কি কোনো সাধারণ কথা!?

দোকানদার জানালেন ভারত থেকে না আসলে প্রতিকেজি ১০০০টাকা হতো। আজ শুনলাম চিচিংগা, লাউ এবং বরবটিও আসছে ভারত থেকে।

বন্যা আর বর্ষার কারণে বাংলাদেশে এখন তরিতরকারি হচ্ছে না। ভারত থেকে আসছে তরিতরকারি। স্লোগান এখন ধরতেই হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ!

সারা বছর ভারত বিরোধিতা করা! দিল্লি না ঢাকা বলা লোকগুলো এখন বলছে একটু অপেক্ষা করুন! ভারত থেকে কাঁচামরিচ আসলে দেশে কাঁচামরিচের দাম কমে যাবে!

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়ে গেছে কাঁচামরিচ আমদানি। প্রথম দিনেই ভারত থেকে চারটি ট্রাকে এসেছে ২৮ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভারত থেকে মরিচবোঝাই চারটি ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি শুরু হয়েছে।

রাজ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের নাসিক থেকে প্রথম চালানে মোট ২৮ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি করেছে।

শেষবার ভারত থেকে বাংলাদেশে কাঁচালঙ্কা পাঠানো হয়েছিল ২০ নভেম্বর।

ভারত থেকে লঙ্কা আসার খবরে বাজারে ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, মাত্র একদিনের ব্যবধানে কাঁচা লঙ্কার দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা কমেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচা লঙ্কা বিক্রি হচ্ছে আগের তুলনায় অনেক কম দামে।

আমদানি নিয়মিত হলে সরবরাহ আরও বাড়বে।

এর ফলে দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *