ঢাকা: এতোদিন সবাই জঙ্গী হাদি ছিল এখন সবাই আলিফ হয়েছে। আলিফ হ্যাশট্যাগ দিয়ে, চোখে পট্টি বেঁধে নাটক বাহিনী নাটক শুরু করেছে।
নতুন সাজে নতুন রূপে নতুন আঙ্গিকে দেখা গেলো নাসির পাটোয়ারীকে। এখন আলিফ লায়লাও ফেল।
প্রতিবাদ কত বিচিত্র হয় সেটা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী দেখিয়ে দিলেন। এখন সবাই এক চোখে ব্যাণ্ডেজ আলিফ।
জুলাই নিয়ে আয়োজিত মঞ্চে এক চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে উঠলেন। NCP-র কর্মী আলিফ নাকি চোখ হারিয়েছে!
আমরা তো ভেবেছিলাম পাটোয়ারী বুঝি নিজের চোখ দান করে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
তা সত্যিকারের চোখটা দান করলেও তো সোয়াব পাবেন পাটোয়ারী! সোয়াবের কাজ না করে নাটক শুরু করেছেন!
মানুষের ঘরে গ্যাস নেই, খাবার নেই… আর এরা শুরু করেছে আলিফ লায়লা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের (আইডিইবি) মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি হলে ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।
বক্তব্য দেওয়ার জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম ঘোষণার পরেই তিনি পর্দার আড়ালে চলে যান। প্রায় ১ মিনিট পরে তিনি বক্তব্য দেওয়ায় স্থানে আসলে দেখা যায় তার চোখে ব্যান্ডেজ।
যেন নিজের চরিত্রকে একটু ঝালাই করে মঞ্চে এলেন। যেমন নাটকে হয় আরকি!
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যে চেয়ারে বসে আছেন, সেটি জনগণের চেয়ার। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সেই চেয়ার জনগণ কেড়ে নেবে।
তিনি বলেন, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের নিয়ে আদালতের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জ টাউন হলের সামনে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি ও সমাবেশ শেষে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে।
এনসিপি এই হামলার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছে। পরে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের হলে আরও এক দফা সংঘর্ষ হয়।
এইসব ঘটনায় জঙ্গী এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত হন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ চৌধুরী।
আলিফ ছাত্রশক্তির হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সংগঠক।
