ঢাকা: এই বিষয়গুলো দেশে অহরহ ঘটছে। আসলে যখন লোভ লালসা দুর্নীতি মজ্জায় মজ্জায় প্রবেশ করে, তখন দেশের বড় বড় খাতের মেরুদণ্ড এমনিই ভেঙে পড়ে।

আর বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা তো বলেই লাভ নেই। চিকিৎসার নামে ডাকাতি চলে। সরকারি অফিস চলাকালীন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাকটিসের অভিযোগও বহুদিনের।

এবার রাজধানীর পুরান ঢাকার ইংলিশ রোডে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ায় এক ডাক্তারের লাইসেন্স বাতিল ও চাকুরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে পপুলার ডায়াগনস্টিকে অভিযান পরিচালনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার মইনুল হাসান চিশতীকে সেবারত অবস্থায় হাতেনাতে ধরেন মন্ত্রী।

সরকারি অফিস চলাকালীন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্র্যাকটিসের নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিন যাবৎ সেই অনিয়ম করে আসছিলেন তিনি। এই অনৈতিক কার্যক্রমের দায়ে শাস্তি নিশ্চিতে ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

এর আগেও অফিস টাইমে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অভিযোগে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি অ্যান্ড অবস) ডা. শারমিন জাহান সোমাকে কৈফিয়ত তলব করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

রবিবার (২ আগস্ট) ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আবু নাইম মো. ইফতেখারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কৈফিয়ত তলব করা হয়।

জনগণ বলছে, এইসব কৈফিয়তে কোনো কাজ হবে না। উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে না পারলে এমনিতেই তো চিকিৎসা নেই, আরো নেই হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *