ঢাকা: ভারত থেকে এবার টিয়ার গ্যাস আমদানি করলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য এই কাঁদুনে গ্যাস আমদানি হয়েছে। যা নিয়ে এখন ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে দেশে।
অপ্রস্তুতকারক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে অথবা কোনো বড় ধরনের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে ব্যবহার হবে এগুলো।
দাঙ্গা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাধারণত টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে থাকে।
এই আমদানির মাধ্যমে কি এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, জরুরি পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব এখন সেনাবাহিনীর একটি স্থায়ী ভূমিকায় পরিণত হতে চলেছে?
২.৩ টন টিয়ার গ্যাস (Tear Gas) আমদানি করা হলো।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় সংস্থা নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড বিশেষ চুক্তির অধীনে বাংলাদেশকে ১৪৫টি কাঠের বক্সে ২.৩ টন টিয়ার গ্যাসের শেল পাঠিয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এই টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই প্রথমবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টিয়ার গ্যাসের শেল আমদানি করা হয়েছে।
শুক্রবার তথা ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।
বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) রুহুল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খালাস করা হলে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।
আজ ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।
প্রসঙ্গত, ২৪ এ শেখ হাসিনার পতনের পর মহম্মদ ইউনূস জামানায় ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক একদম তলানিতে ঠেকে। এর কারণ অবশ্যই বাংলাদেশ। কারণ ইউনূস আর তার উপদেষ্টা মণ্ডলীরা যেভাবে জঙ্গীদের সাথে হাত মিলিয়েছিলো, তাতে ভারতকে কোনোদিনই পাশে পাবে না।
অবশেষে এলেন তারেক সাহেব। চেষ্টা করা হচ্ছে সম্পর্কের ফাটল দূর করতে, তবে বাস্তবে সম্পর্কের সেই দুরবস্থা এখনও পুরোপুরি ঠিক হয়নি দুই প্রতিবেশীর।
এরই মাঝে তারেক রহমানের আমলে ভারত থেকে নানান পণ্য আমদানি করতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। আশা করা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দিল্লি এবং ঢাকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আবার আগের পর্যায়ে পৌঁছবে!
